দামিন-ই-কোহ কি দামিন-ই-কোহ কথার অর্থ হল পাহাড়ে প্রান্তদেশ। রাজমহল পার্বত্য অঞ্চল এবং মুর্শিদাবাদ জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত অঞ্চল এই নামে পরিচিত। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করলে সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মানুষেরা তাদের আদি বাসভূমি ছোটনাগপুর রাচি হাজারীবাগ বীরভূম বাঁকুড়ার বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল ছেড়ে রাজমহল পার্বত্য অঞ্চল সহ মুর্শিদাবাদের কিছু অংশে বসবাস শুরু করেন। তারাই এই অঞ্চলের নাম দেন দামিন-ই-কোহ। উল্লেখ্য, এই অঞ্চলের তারা ইংরেজ ও তার সহযোগী জমিদার ও মহাজনদের শোষণ ও অত্যাচারের শিকার হয় এবং ১৮৫৫ সালে বিদ্রোহ ঘোষণা করে যা সাঁওতাল বিদ্রোহ সাঁওতাল হুল নামে পরিচিত। ------------------------------------ বিকল্প প্রশ্ন : ১) দামিন-ই-কোহ কথার অর্থ কী? কোন অঞ্চলকে কেন দামিন-ই-কোহ বলা হয়? অন্যান্য প্রশ্ন : ভারতীয় অরণ্য আইন কী? ব্রিটিশ সরকার কেন অরণ্য আইন পাশ করেছিল? বারাসাত বিদ্রোহ কী? বাঁশেরকেল্লা কী? খুৎকাঠি প্রথা কী? দাদন প্রথা কী? সন্ন্যাসী ও ফকির বিদ্রোহ ব্যর্থ হয় কেন? ওয়াহাবি আন্দোলনের লক্ষ্য আদর্শ কী ছিল? ফরাজি আন্দোলন কি ধর্মীয় পুনর্জাগরণের আন...
অথবা টীকা লেখা:- সাঁওতাল বিদ্রোহ উনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে যে সমস্ত উপজাতি বিদ্রোহ হয়েছিল ।তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সাঁওতাল বিদ্রোহ। ব্রিটিশ সরকারের উপনিবেশিক শাসন বজায় রাখার জন্য, ব্রিটিশ সরকার যে সমস্ত ভূমি সংস্করণ করেছিল তার প্রভাব ভারতীয় উপজাতিদের মধ্যে ব্যাপক ভাবে প্রতিফলিত হয়েছিল। তাই শেষ পর্যন্ত 1855 খ্রিস্টাব্দে সাঁওতালরা বিদ্রোহ করতে বাধ্য হয় । যা সাঁওতাল বিদ্রোহ নামে পরিচিত। সাঁওতাল বিদ্রোহের কারণ বিহারের রাজমহল থেকে পশ্চিমবঙ্গে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের শান্তিপ্রিয় সাঁওতালরা বিভিন্ন কারণে ব্রিটিশদের উপর রেগে গিয়েছিল। যা হলো নিম্নরুপ:- ক) জমির উপর ব্রিটিশদের অধিকার :- সাঁওতালরা জঙ্গল পরিষ্কার করে জমি তৈরি করে চাষবাস শুরু করলে । ব্রিটিশ সরকার সাঁওতালদের কাছে এমন বিপুল হারে রাজস্বের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যা সাঁওতালরা জমি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। খ) সাঁওতালদের সর্বস্বান্ত :- ব্রিটিশ সরকার ভূমিরাজস্ব ছাড়াও অন্যান্য কর ও ঋণের দায়ভার সাঁওতালদের উপ...