খেলার ইতিহাসের উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব কী? খেলার ইতিহাসের উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব কী? আধুনিক ইতিহাসচর্চায় খেলার ইতিহাসের উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব কী? অথবা, খেলাধুলার ইতিহাসকে ইতিহাসচর্চার অঙ্গীভূত করা হয়েছে কেন? বিশ শতকের ৭০-এর দশকে ইউরোপে খেলার ইতিহাসচর্চার সূচনা হয়। ১৯৮০ দশকে টনি ম্যাসান , রিচার্ড হোল্ট প্রমুখের গবেষণায় খেলার ইতিহাসচর্চা সমৃদ্ধ হয়। ১৯৮২ সালে ‘ব্রিটিশ সোসাইটি অফ স্পোর্টস হিস্ট্রি’ প্রতিষ্ঠিত হলে খেলার ইতিহাসচর্চা সাংগঠনিক রূপ পায়। বস্তুত, বিশ শতকের শেষ তিন দশক ধরে খেলাধুলো সংক্রান্ত যে ইতিহাসচর্চা শুরু হয় তা ‘খেলাধুলার ইতিহাসচর্চা’ নামে পরিচিত। খেলাধুলার ইতিহাসচর্চার উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব : প্রকৃতপক্ষে আধুনিক ইতিহাসচর্চায় (ইতিহাস লেখায়) খেলাধুলার ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর এ কারণেই খেলাধুলার ইতিহাসকে আধুনিক ইতিহাস চর্চার অঙ্গীভূত করা হয়েছে। ঐতিহাসিক গ্রান্ট জার্ভিস তাঁর ‘ স্পোর্টস কালচার এন্ড সোসাইটি : অ্যান ইন্ট্রোডাকশন ’ গ্রন্থে ইতিহাসের বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে খেলার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। খেলাধুলা মানুষের সংস্কৃতির অঙ্গ। তাই খেলাধুলার মধ্য দিয়েই কোন দেশের সাংস...
অথবা টীকা লেখা:- সাঁওতাল বিদ্রোহ উনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে যে সমস্ত উপজাতি বিদ্রোহ হয়েছিল ।তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সাঁওতাল বিদ্রোহ। ব্রিটিশ সরকারের উপনিবেশিক শাসন বজায় রাখার জন্য, ব্রিটিশ সরকার যে সমস্ত ভূমি সংস্করণ করেছিল তার প্রভাব ভারতীয় উপজাতিদের মধ্যে ব্যাপক ভাবে প্রতিফলিত হয়েছিল। তাই শেষ পর্যন্ত 1855 খ্রিস্টাব্দে সাঁওতালরা বিদ্রোহ করতে বাধ্য হয় । যা সাঁওতাল বিদ্রোহ নামে পরিচিত। সাঁওতাল বিদ্রোহের কারণ বিহারের রাজমহল থেকে পশ্চিমবঙ্গে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের শান্তিপ্রিয় সাঁওতালরা বিভিন্ন কারণে ব্রিটিশদের উপর রেগে গিয়েছিল। যা হলো নিম্নরুপ:- ক) জমির উপর ব্রিটিশদের অধিকার :- সাঁওতালরা জঙ্গল পরিষ্কার করে জমি তৈরি করে চাষবাস শুরু করলে । ব্রিটিশ সরকার সাঁওতালদের কাছে এমন বিপুল হারে রাজস্বের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যা সাঁওতালরা জমি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। খ) সাঁওতালদের সর্বস্বান্ত :- ব্রিটিশ সরকার ভূমিরাজস্ব ছাড়াও অন্যান্য কর ও ঋণের দায়ভার সাঁওতালদের উপ...