সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

দশম শ্রেণি : সর্বশেষ প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর

দলিত কাদের বলা হয়?

দলিত কাদের বলা হয়? দলিত কাদের বলা হয়? দলিত কারা : ‘ দলিত ’ কথাটি এসেছে ‘ দলন ’ শব্দ থেকে, যার অর্থ হল  দমিয়ে রাখা । যুগ যুগ ধরে ভারতীয় সমাজে উচ্চবর্ণের মানুষেরা নিম্নবর্ণের মানুষদের ওপর অর্থনৈতিক ও সামাজিক শোষণ, দমনপীড়ন ও বঞ্চনা চালিয়ে আসছে। উচ্চবর্ণের মানুষের দ্বারা শোষিত,নিপীড়িত ও বঞ্চিত এই নিম্নবর্ণের জনগোষ্ঠী ‘ দলিত ’ নামে পরিচিত। উল্লেখ্য, ভারতের ভিন্ন ভিন্ন প্রদেশে এই দলিত শ্রেণি ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। কেরালায় এরা  এজাভা  ও  পুলায়া , কর্নাটকে  চালাভাদি , তামিলনাড়ুতে  নাদার , মহারাষ্ট্রে  মাহার , দিল্লিতে  বাল্মিকী , জম্মু-কাশ্মীরে  বাসিথ , উত্তর ভারতের  চামার , এবং বাংলায়  নমঃশূদ্র  নামে পরিচিত। -------xx------- এই প্রশ্নটি অন্য যেভাবে আসতে পারে : দলিত শব্দের অর্থ কী? দলিতদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। দলিতরা বাংলায় কী নামে পরিচিত? এদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। দলিত কারা? তাদের এই নাম করণের কারণ কী? দলিতদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। দলিতরা ভারতের কোন অঞ্চলে কী নামে পরিচিত? দলিত বিষয়ে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন : গুরুচাঁদ ঠ...
সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

ভারতে দলিত আন্দোলনের বিকাশ

ভারতে দলিত আন্দোলনের বিকাশ ভারতে দলিত আন্দোলনের বিকাশ ভারতে দলিত আন্দোলনের বিকাশ কীভাবে হয়? How did the Dalit movement develop in India? দলিত কারা : ‘ দলিত ’ কথাটি এসেছে ‘ দলন ’ শব্দ থেকে, যার অর্থ হল দমিয়ে রাখা । যুগ যুগ ধরে ভারতীয় সমাজে উচ্চবর্ণের মানুষেরা নিম্নবর্ণের মানুষদের ওপর অর্থনৈতিক ও সামাজিক শোষণ, দমনপীড়ন ও বঞ্চনা চালিয়ে আসছে। উচ্চবর্ণের মানুষের দ্বারা শোষিত,নিপীড়িত ও বঞ্চিত এই নিম্নবর্ণের জনগোষ্ঠী ‘ দলিত ’ নামে পরিচিত । উল্লেখ্য, ভারতের ভিন্ন ভিন্ন প্রদেশে এই দলিত শ্রেণি ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। কেরালায় এরা এজাভা ও পুলায়া , কর্নাটকে চালাভাদি , তামিলনাড়ুতে নাদার , মহারাষ্ট্রে মাহার , দিল্লিতে বাল্মিকী , জম্মু-কাশ্মীরে বাসিথ , উত্তর ভারতের চামার , এবং বাংলায় নমঃশূদ্র নামে পরিচিত। দলিত আন্দোলন কী : বিশ শতকের শুরু থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে বসবাসকারী এই সমস্ত শোষিত, নিপীড়িত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী তাদের সঙ্গে ঘটে চলা সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে এক ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলে। এই আন্দোলন ‘ দলিত আন্দোলন ’ নামে পরিচিত। এইসব দলিত আন্দোলনের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা হলেন — মা...

বিপ্লবী আন্দোলনে সুর্য সেনের অবদান

বিপ্লবী আন্দোলনে সুর্য সেনের অবদান লেখো। বিপ্লবী আন্দোলনে সুর্য সেনের অবদান Write Surya Sen's contribution to the revolutionary movement. ১৮৯৪ সালে ২২ শে মার্চ চট্টগ্রাম জেলার নোয়াপাড়া গ্রামে মাস্টারদা সূর্যসেন জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা তথা ভারতের বিপ্লবী আন্দোলনের ইতিহাসে তাঁর নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখিত আছে। শিক্ষকতা করার সময়ই তিনি বিপ্লবী আদর্শের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন এবং বিদ্রোহের মুখ্য নায়ক (‘ মাস্টারদা ’) হয়ে ওঠেন। বিপ্লবী আন্দোলনে সূর্য সেনের অবদান বিপ্লবী আদর্শের প্রচার : মাস্টারদা সূর্যসেন বিশ্বাস করতেন যে, অহিংস ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকারের পতন ঘটানো সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন।  বিপ্লবী আদর্শের লক্ষ্য : এই আদর্শের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্য ছিল পরিকল্পিতভাবে চট্টগ্রামে একটি সশস্ত্র বৈপ্লবিক অভ্যুত্থান ঘটানো এবং চট্টগ্রাম থেকে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটানো। সেই সঙ্গে চট্টগ্রামকে একটি ‘ স্বাধীন অঞ্চল ’ হিসেবে ঘোষণা করা। বিপ্লবী সংগঠন স্থাপন : এই আদর্শ ও লক্ষ্যকে সামনে রেখে মাস্টারদা সূর্যসেন সশস্ত্র আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। এই উদ্দেশ্...

সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা

সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা বিশ্লেষণ কর। মাধ্যমিক - ২০১৭ সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা উনিশ শতকে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের ফলে ভারতে নারী সমাজের অবস্থান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ে। ‘ বামাবোধিনী’র মত পত্রিকা এই চেতনাকে জনপ্রিয় করে তোলে। ফলে নারীরা ঘরের বাইরে বেরোতে উৎসাহিত হয়, যার প্রভাব পড়ে ভারতীয় রাজনীতিতেও। সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা বিশ্লেষণ করলে এই প্রভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে।  সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা : প্রেক্ষাপট বা পটভূমি : বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা স্বদেশী আন্দোলনের সময় প্রথম নারীরা সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশগ্রহণের অনুপ্রেরণা পায়। এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলো কৃষ্ণকুমার মিত্রের কন্যা কুমুদিনী মিত্রে র ‘ সুপ্রভাত ’ এবং মীরা দাশগুপ্তে র ‘ বেনু ’ পত্রিকা। নারী পরিচালিত এই পত্রিকা দুটি মেয়েদের মধ্যে স্বদেশপ্রেম জাগিয়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। সরলাদেবী চৌধুরানীর  ‘ লক্ষ্মীর ভান্ডার’ গঠন ও ‘ বীরাঙ্গনা ব্রত’ পালনের মাধ্যমে নারীদের স্বদেশী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ও অস্ত্র চালনায় পারদর্শী করে তুলেছিলেন। ...

খেলার ইতিহাসের উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব কী?

খেলার ইতিহাসের উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব কী? খেলার ইতিহাসের উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব কী? আধুনিক ইতিহাসচর্চায় খেলার ইতিহাসের উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব কী? অথবা, খেলাধুলার ইতিহাসকে ইতিহাসচর্চার অঙ্গীভূত করা হয়েছে কেন? বিশ শতকের ৭০-এর দশকে ইউরোপে খেলার ইতিহাসচর্চার সূচনা হয়। ১৯৮০ দশকে টনি ম্যাসান , রিচার্ড হোল্ট প্রমুখের গবেষণায় খেলার ইতিহাসচর্চা সমৃদ্ধ হয়। ১৯৮২ সালে ‘ব্রিটিশ সোসাইটি অফ স্পোর্টস হিস্ট্রি’ প্রতিষ্ঠিত হলে খেলার ইতিহাসচর্চা সাংগঠনিক রূপ পায়। বস্তুত, বিশ শতকের শেষ তিন দশক ধরে খেলাধুলো সংক্রান্ত যে ইতিহাসচর্চা শুরু হয় তা ‘খেলাধুলার ইতিহাসচর্চা’ নামে পরিচিত। খেলাধুলার ইতিহাসচর্চার উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব : প্রকৃতপক্ষে আধুনিক ইতিহাসচর্চায় (ইতিহাস লেখায়) খেলাধুলার ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর এ কারণেই খেলাধুলার ইতিহাসকে আধুনিক ইতিহাসচর্চার অঙ্গীভূত করা হয়েছে। ঐতিহাসিক গ্রান্ট জার্ভিস তাঁর ‘ স্পোর্টস কালচার এন্ড সোসাইটি : অ্যান ইন্ট্রোডাকশন ’ গ্রন্থে ইতিহাসের বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে খেলার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। খেলাধুলা মানুষের সংস্কৃতির অঙ্গ। তাই খেলাধুলার মধ্য দিয়েই কোন দেশের সাংস্...

বারাসাত বিদ্রোহ ব্যর্থ হয়েছিল কেন?

বারাসাত বিদ্রোহ ব্যর্থ হয়েছিল কেন? বারাসাত বিদ্রোহ ব্যর্থ হয়েছিল কেন? বারাসাত বিদ্রোহ ইসলামের পুনরুজ্জীবন ও ইসলাম ধর্মের কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আন্দোলন হিসাবে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হলেও অচিরেই তা কৃষক আন্দোলনের চেহারা নেয়। এই আন্দোলনের ব্যর্থতার পিছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ লক্ষ্য করা যায় : দুর্বল সংগঠন ও আদিম অস্ত্রশস্ত্রের ব্যবহার, গেরিলা যুদ্ধনীতি ত্যাগ, বৃহত্তর হিন্দু সমাজের সঙ্গে অনৈক্য,  মুসলিম মৌলবীদের একাংশের বিরোধিতা ইত্যাদি। মূলত এই সমস্ত কারণে বারাসাত বিদ্রোহ সাফল্য লাভ করতে পারেনি। --------xx-------- এই প্রশ্নটি অন্য যেভাবে ঘুরিয়ে আসতে পারে : বারাসাত বিদ্রোহের ব্যর্থতার কারণ কী? তিতুমীরের আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছিল কেন? বাঁশেরকেল্লা ধ্বংস হল কেন? বারাসাত বিদ্রোহের উপর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন : বারাসাত বিদ্রোহের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করো । তিতুমীর কে ছিলেন? তিনি কী কারণে খ্যাতি লাভ করেছিলেন ? বাঁশেরকেল্লা কী ? বারাসাত বিদ্রোহ কী ?

মাধ্যমিক ইতিহাস ম্যাপ পয়েন্টিং

মাধ্যমিক ইতিহাস ম্যাপ পয়েন্টিং মাধ্যমিক ইতিহাস ম্যাপ পয়েন্টিং মাধ্যমিক পরীক্ষার 👇 মানচিত্র। মডেল সেট মানচিত্র

ইতিহাস ম্যাপ পয়েন্টিং সেট - ০৪

ইতিহাস ম্যাপ পয়েন্টিং সেট - ০৪ ইতিহাস ম্যাপ পয়েন্টিং সেট - ০৪ ম্যাপ পয়েন্টিং :  সেট - ১ ।  সেট - ২ ।  সেট - ৩ । সেট - ৪।  সেট - ৫ ।  সেট - ৬ মাধ্যমিক পরীক্ষার ম্যাপ পয়েন্টিং : মাধ্যমিক : ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯

ইতিহাস ম্যাপ পয়েন্টিং সেট - ৩

ইতিহাস ম্যাপ পয়েন্টিং সেট - ০৩ ইতিহাস ম্যাপ পয়েন্টিং সেট - ৩ ম্যাপ পয়েন্টিং :  সেট - ১ । সেট - ২ । সেট - ৩👇। সেট - ৪ । সেট - ৫ । সেট - ৬ মাধ্যমিক পরীক্ষার ম্যাপ পয়েন্টিং : মাধ্যমিক : ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯

ইতিহাস ম্যাপ পয়েন্টিং সেট - ০২

ইতিহাস ম্যাপ পয়েন্টিং : সেট - ০২ ম্যাপ পয়েন্টিং :  সেট - ১ । সেট - ২। সেট - ৩ । সেট - ৪ । সেট - ৫ । সেট - ৬ ইতিহাস ম্যাপ পয়েন্টিং সেট - ০২ মাধ্যমিক পরীক্ষার ম্যাপ পয়েন্টিং : মাধ্যমিক : ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯

ইতিহাস ম্যাপ পয়েন্টিং সেট - ০১

ইতিহাস ম্যাপ পয়েন্টিং সেট - ০১ ম্যাপ পয়েন্টিং : সেট - ১👇।  সেট - ২ । সেট - ৩ । সেট - ৪ । সেট - ৫ । সেট - ৬ ইতিহাস ম্যাপ পয়েন্টিং সেট - ০১ মাধ্যমিক পরীক্ষার ম্যাপ পয়েন্টিং : মাধ্যমিক : ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯

বারদৌলি সত্যাগ্রহের প্রতি জাতীয় কংগ্রেসের মনোভাব

বারদৌলি সত্যাগ্রহের প্রতি জাতীয় কংগ্রেসের মনোভাব : বারদৌলি সত্যাগ্রহের প্রতি জাতীয় কংগ্রেসের মনোভাব বারদৌলি সত্যাগ্রহের প্রতি জাতীয় কংগ্রেসের কীরূপ মনোভাব ছিল? ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে তুলার দাম কমে যাওয়া ও ৩০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধির প্রতিবাদে গুজরাটের বারদৌলি তালুকের কৃষকরা ১৩টি স্থানে ব্যাপক কৃষক আন্দোলন গড়ে তোলেন। এই আন্দোলন  ‘বারদৌলি সত্যাগ্রহ আন্দোলন’ নামে পরিচিত। বারদৌলি সত্যাগ্রহের কারণ : তবে তুলোর দাম কমে যাওয়া ও রাজস্ব বৃদ্ধি ছাড়াও এই আন্দোলনের পিছনে আরও কিছু কারণ ছিল। যেমন, উচ্চবর্ণের ‘ উজালীপারাজ ’ বা সাদা মানুষদের দ্বারা ‘ কলিপারাজ’  বা কালো মানুষদের ওপর অত্যাচার ও নারী নির্যাতন। ‘হালিপ্রথা’ র মাধ্যমে বংশানুক্রমিকভাবে বাধ্যতামূলক শ্রমদান মহাজনদের শোষণ । দৈনন্দিন জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি , ইত্যাদি। এ সমস্ত কারণে স্থানীয় নেতা কল্যানী মেহতা ও কুনবেরজি মেহতা এবং দয়ালজি দেশাই কৃষকদের নিয়ে আন্দোলন শুরু করেন। বারদৌলি সত্যাগ্রহ ও কংগ্রেসের মনোভাব : প্রথমদিকে এই আন্দোলনের সঙ্গে কংগ্রেস নেতাদের তেমন কোন যোগাযোগ ছিল না। কিন্তু ১৯২৫ সালে বারদৌলিতে ভয়ংকর বন্যা এবং ১৯২৭ সা...

‘নারী ইতিহাস’ বলতে কী বোঝো? এর বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব উল্লেখ করো।

‘নারী ইতিহাস’ বলতে কী বোঝো? নারী ইতিহাসচর্চার বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব উল্লেখ করো। ‘নারী ইতিহাস’ বলতে কী বোঝো? এর বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব উল্লেখ করো। What do you mean by women's history? Mention the characteristics and importance of women's historiography. নারী ইতিহাস : আধুনিক ইতিহাস চর্চার একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল ‘ নারী ইতিহাসচর্চা ’। সমাজের অর্ধেক অংশ জুড়ে নারীর অবস্থান। বলা হয়, তারাই সমাজের মূল চালিকাশক্তি। অথচ যুগ যুগ ধরে অধিকাংশ সমাজে নারীর অবস্থান ছিল বঞ্চনা, অবহেলা ও অন্যায়-অবিচারের আবর্তে মোড়া। আধুনিক ইতিহাসের যে ধারায় নারীর এই অবস্থান, তাদের ভূমিকা ও অধিকারের যথাযথ মূল্যায়নের চেষ্টা করা হয়, তা-ই ‘ নারী ইতিহাস’ নামে পরিচিত। নারী ইতিহাসচর্চা : উল্লেখ্য, এই ‘নারী ইতিহাস’ বিভিন্ন ধারায় বিভক্ত। আধুনিক ইতিহাসচর্চার আলোকে নারী ইতিহাসের এই সব ধারা নিয়ে চর্চার প্রক্রিয়াকে বলা হয়  ‘নারী ইতিহাসচর্চা’ । নারী ইতিহাসচর্চার বৈশিষ্ট্য : নারী ইতিহাসচর্চার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল : পুরুষতান্ত্রিক ইতিহাস সংশোধন : মানব সভ্যতার ইতিহাসে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের ভূমিকা ...

ভারত সভার প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জির ভূমিকা

ভারত সভার প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জির ভূমিকা বিশ্লেষণ কর। ভারত সভার প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জির ভূমিকা জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার পূর্বে ঐক্যবদ্ধ ভারত গড়ে তোলার ভাবনায় প্রভাবিত হয়ে ইংরেজদের বিরুদ্ধে একটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তোলার কথা, প্রথম সংহতভাবে চিন্তা করেছিলেন সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দের ২৬ শে জুলাই সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, আনন্দমোহন বসু, শিবনাথ শাস্ত্রী, কৃষ্ণমোহন বন্দোপাধ্যায় প্রমুখদের নিয়ে কলকাতার অ্যালবার্ট হলে ‘ ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ’ বা ‘ ভারত সভা ’ প্রতিষ্ঠা করেন।  সর্বসাধারণের প্রতিষ্ঠান : ভারত সভা প্রতিষ্ঠার পূর্বে প্রায় সব ‘ সভা-সমিতি ’ ছিল একদিকে আঞ্চলিক এবং অন্যদিকে জমিদার ও ধনী শ্রেণির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ‘ভারত সভা’র দরজা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন শিক্ষিত মধ্যবিত্ত ও সাধারণ মানুষের জন্য। এখানে বাৎসরিক চাঁদার হার ৫ টাকা হলেও কৃষকদের দিতে হত মাত্র এক টাকা।  মধ্যবিত্ত জন্য দাবী : শুধু জমিদার শ্রেণির নয়, মধ্যবিত্ত শ্রেণির দাবী ও অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও ‘ ভার...

মহাবিদ্রোহের প্রতি শিক্ষিত বাঙালি সমাজের মনোভাব

মহাবিদ্রোহের (১৮৫৭) প্রতি শিক্ষিত বাঙালি সমাজের মনোভাব কীরূপ ছিল? মহাবিদ্রোহের প্রতিশিক্ষিত বাঙালি সমাজের মনোভাব ১৮৫৭ সালে মহাবিদ্রোহের সূত্রপাত বাংলার বহরমপুর ও বারাকপুর থেকে হলেও বাংলায় এই বিদ্রোহের প্রভাব ও প্রসার সেভাবে ঘটেনি। সংবাদপত্রের মনোভাব : দিল্লি ও উত্তর ভারতে উর্দু সংবাদপত্রগুলি বিদ্রোহ চলাকালীন বিদ্রোহীদের আত্মবিশ্বাস ও মনোভাব বাড়িয়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। অন্যদিকে বাংলায় ‘সংবাদ প্রভাকর’, ‘সংবাদ ভাস্কর’, ‘অরুনদয়’-এর মত সংবাদপত্রগুলি বিদ্রোহীদের প্রতি তীব্র বিদ্বেষ প্রদর্শন করে ও ব্রিটিশ শাসনের প্রতি অবিচল আনুগত্য প্রদর্শন করে। সভা সমিতির মনোভাব : ‘ ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ’, ‘ মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্যালকাটা ’র মত অনেক সভা-সমিতি এই বিদ্রোহকে নিন্দা করে সরকারকে সব রকমের সাহায্যের আশ্বাস দেয়। বাঙালি বুদ্ধিজীবীর মনোভাব : সেই সময়ের শিক্ষিত বাঙালি সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে অক্ষয় কুমার দত্ত, ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত, কিশোরী চাঁদ মিত্র, রাজনারায়ণ বসু, দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমূখরা এই বিদ্রোহকে সমর্থন করেননি। ব্রিটিশের পক্ষে সহযোগিতা : ...

বহুল পঠিত প্রশ্ন-উত্তর এখানে