রাধাকান্ত দেব স্মরণীয় কেন? উনিশ শতকে বাংলায় পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে যে সমস্ত বাঙালি মনীষী গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছিলেন রাজা রাধাকান্ত দেব তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য। বিভিন্ন বিষয়ে রাজা রামমোহনের রায়ের সঙ্গে তাঁর মত পার্থক্য থাকলেও পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের বিষয়ে দু'জনে সহমত ছিলেন। তাঁর উদ্যোগ ও সহযোগিতায় ১৮১৭ সালে কলকাতায় 'হিন্দু কলেজ' প্রতিষ্ঠিত হয়। 'স্কুল বুক সোসাইটি', 'ক্যালকাটা স্কুল সোসাইটি', 'হিন্দু মেট্রোপলিটন কলেজ' ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। নারী শিক্ষার ক্ষেত্রেও রাধাকান্ত দেব পাশ্চাত্য শিক্ষাকে প্রাধান্য দেন এবং ১৮২২ সালে ‘স্ত্রীশিক্ষা বিধায়ক’ নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করেন। এছাড়া হিন্দু কলেজের ছাত্রদের শবব্যবচ্ছেদ এবং ইংরেজি সাহিত্য ও পাশ্চাত্য বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ বাংলা ভাষায় অনুবাদের জন্য তিনি উৎসাহিত করেন। --------xx------- এই প্রশ্নটিই অন্য যেভাবে ঘুরে আসতে পারে : রাধাকান্ত দেব কে ছিলেন? ভারতের পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারে রাধাকান্ত দেবের ভূমিকা মূল্...
অথবা টীকা লেখা:- সাঁওতাল বিদ্রোহ উনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে যে সমস্ত উপজাতি বিদ্রোহ হয়েছিল ।তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সাঁওতাল বিদ্রোহ। ব্রিটিশ সরকারের উপনিবেশিক শাসন বজায় রাখার জন্য, ব্রিটিশ সরকার যে সমস্ত ভূমি সংস্করণ করেছিল তার প্রভাব ভারতীয় উপজাতিদের মধ্যে ব্যাপক ভাবে প্রতিফলিত হয়েছিল। তাই শেষ পর্যন্ত 1855 খ্রিস্টাব্দে সাঁওতালরা বিদ্রোহ করতে বাধ্য হয় । যা সাঁওতাল বিদ্রোহ নামে পরিচিত। সাঁওতাল বিদ্রোহের কারণ বিহারের রাজমহল থেকে পশ্চিমবঙ্গে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের শান্তিপ্রিয় সাঁওতালরা বিভিন্ন কারণে ব্রিটিশদের উপর রেগে গিয়েছিল। যা হলো নিম্নরুপ:- ক) জমির উপর ব্রিটিশদের অধিকার :- সাঁওতালরা জঙ্গল পরিষ্কার করে জমি তৈরি করে চাষবাস শুরু করলে । ব্রিটিশ সরকার সাঁওতালদের কাছে এমন বিপুল হারে রাজস্বের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যা সাঁওতালরা জমি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। খ) সাঁওতালদের সর্বস্বান্ত :- ব্রিটিশ সরকার ভূমিরাজস্ব ছাড়াও অন্যান্য কর ও ঋণের দায়ভার সাঁওতালদের উপ...