সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

পাশ্চাত্য শিক্ষা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

লর্ড মেকলেকে কী এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রবর্তক বলা যায়?

লর্ড মেকলে-কে কী এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রবর্তক বলা যায়? লর্ড মেকলেকে কী এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রবর্তক বলা যায়? পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে অনিহা : ইংরেজ ইস্ট কোম্পানি এদেশে ক্ষমতা দখলের পর পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রসারে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। তাদের ধারনা ছিল এদেশের আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রসারিত হলে ভারতবাসীর মধ্যে রাজনৈতিক চেতনা বৃদ্ধি পাবে ও তারা ক্রমশ ব্রিটিশ বিরোধী হয়ে উঠবে। ফলে তারা প্রাচ্য ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চাকেই গুরুত্ব দিয়েছিলেন। পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে উদ্যোগ : ১) মিশনারীদের চেষ্টা : কোম্পানি উৎসাহী না হলেও খ্রিষ্টান মিশনারীরা এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে উদ্যোগ নেয়। তবে তাদের উদ্দেশ্য ছিল খ্রিষ্ট ধর্মের প্রচার ও প্রসার।  ২) শিক্ষাখাতে ব্যয় বরাদ্ধ : সমকালীন শিক্ষার দীনতা উপলব্ধি করে ১৮১৩ খ্রিঃ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট চাটার আইনের মাধ্যমে কোম্পানি সরকারকে বাৎসারিক ১ লক্ষ টাকা শিক্ষাখাতে ব্যয় করার নির্দেশ দেয়। তবে প্রাচ্য-পাশ্চাত্য দ্বন্দ্বের ফলে তা বাস্তবায়িত করা সম্ভব হয়নি। ৩) জনশিক্ষা কমিটি তৈরি : জনশিক্ষা প্রসারের উদ্দেশ্যে ১৮২৩ খ্রিঃ জনশিক্ষা কমিটি তৈরি হয়। গভর্নর জেনারে...

পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে শ্রীরামপুর ত্রয়ীদের অবদান কী ছিল?

পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে শ্রীরামপুর ত্রয়ীদের অবদান কী ছিল? শ্রীরামপুর ত্রয়ীর ভূমিকা / অবদান : উনিশ শতকে বিকল্প চিন্তার বিকাশে / বিস্তারে / প্রসারে  কিংবা শিক্ষার প্রসারে  শ্রীরামপুর ত্রয়ীর  'শ্রীরামপুর মিশন প্রেস' গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিল।  এই তিনজন মিশনারির প্রচেষ্টায় এই মিশন প্রেস থেকে বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ,  প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্য প্রকাশ,  পাঠ্যপুস্তক প্রকাশ করে   ছাত্র-ছাত্রীদের  হাতে কম দামে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়। শ্রীরামপুর ছাপাখানা থেকে মার্শম্যানের সম্পাদনায়  ১৮১৮ সাল থেকে 'দিগদর্শন' নামে একটি মাসিক এবং 'সমাচার দর্পণ' নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশিত হতে থাকে।  শ্রীরামপুরের মিশনারিরা শিক্ষা-বিস্তারের উদ্যেশ্যে ১৮১৮ সালের মধ্যে ১০৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে তোলেন। এছাড়া নারী-শিক্ষার জন্য বিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষার জন্য শ্রীরামপুরে প্রথম ডিগ্রি কলেজ (এশিয়ায় প্রথম) গড়ে তোলেন।  সুতরাং দেখা যাচ্ছে, উনিশ শতকে শ্রীরামপুর ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত বইপত্রগুলি জ্ঞান ও শিক্ষার (গণশিক্ষার) প্রসারে গরুত্...

কে, কবে, কেন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন?

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার কারণ  লর্ড ওয়েলেসলি ১৮০০ সালে কলকাতায় ‘ ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ’  প্রতিষ্ঠা করেন। কারণ, তারা মনে করতেন, ১) ভারতীয়রা আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষা পেলে ভবিষ্যতে তাদের মধ্যে  স্বাধীনতার স্পৃহা জেগে উঠবে  এবং এদেশে কোম্পানির শাসন সংকটের মধ্যে পড়বে। ২) এছাড়া ভারতীয়দের  ধর্মভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করলে  তারা ব্রিটিশ সরকারের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠতে পারে। ৩) এই আশঙ্কা থেকেই মূলত তারা  আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষার পরিবর্তে সংস্কৃত ও আরবি-ফারসি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব  আরোপ করেন এবং  ধর্মভিত্তিক সনাতন শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে ইংরেজ রাজকর্মচারীদের ভারতীয়দের ধর্ম-সমাজ-সংস্কৃতি বিষয়ে শিক্ষিত করে  এদেশে কোম্পানির শাসনকে সুদৃঢ় করার পরিকল্পনা করেন। মূলত, এই কারণেই লর্ড ওয়েলেসলি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ গড়ে তোলেন। --------xx------- এই প্রশ্নটিই অন্য যেভাবে ঘুরিয়ে আসতে পারে : ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার কারণ কী ছিল? ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ গড়ে তোলার উদ্দেশ্য কী ছিল? ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কী? কত সালে, কোথায়, কোন লক্ষ্যে ফোর্ট উইলিয...

ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে ১৮১৩ সালের সনদ আইনের গুরুত্ব কী?

ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে ১৮১৩ সালের সনদ আইনের গুরুত্ব  ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৮১৩ সালের  'চার্টার অ্যাক্ট'  বা  'সনদ আইন'  পাস করে ঘোষণা করে যে, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রতিবছর এক লক্ষ টাকা ভারতীয়দের জনশিক্ষার জন্য ব্যয় করবে। এই অর্থ ব্যয় করার ক্ষেত্রে গঠিত  ‘জনশিক্ষা কমিটি’   ‘পাশ্চাত্যবাদী  ও  প্রাচ্যবাদী’  এই দু'ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। অবশেষে পাশ্চাত্যবাদীরা টমাস মেকলে এবং রামমোহন রায়ের নেতৃত্বে ওই অর্থ ইংরেজি ও আধুনিক বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসারে ব্যয় করার জন্য সরকারকে বাধ্য করে। ফলে ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে দ্বার উন্মুক্ত হয়ে যায়। ----------xx--------- এই প্রশ্নটিই অন্য যেভাবে আসতে পারে : ১৮১৩ সালের সনদ আইন কীজন্য বিখ্যাত? ১৮১৩ সালের চার্টার অ্যাক্টএর মূল কথা কী ছিল? ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার বিস্তারে ১৮১৩ সালের সনদ আইনের ভূমিকা কী ছিল? ১৮১৩ সালের সনদ আইনের তাৎপর্য লেখো। পাশ্চাত্য শিক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন : উডের ডেসপ্যাচ কী ? উডের নির্দেশনামার গুরুত্ব কী ? হার্ডিঞ্জের ঘোষণার গুরুত্ব কী ? ' চুইয়ে পড়া নী...

হার্ডিঞ্জের ঘোষণার (১৮৪৪) গুরুত্ব কী?

হার্ডিঞ্জের ঘোষণার (১৮৪৪) গুরুত্ব কী? ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্য নিয়ে ১৮৪২ সালে  'কাউন্সিল অফ এডুকেশন'  গঠিত হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে বড়লাট হার্ডিঞ্জ ১৮৪৪ সালে ঘোষণা করেন যে, সরকারি চাকরিতে ইংরেজি ভাষা জানা ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। লর্ড হার্ডিঞ্জের এই ঘোষণাকে সামনে রেখে ' বোর্ড অফ কন্ট্রোল'- এর সভাপতি স্যার চার্লস উড ১৮৫৪ সালে শিক্ষা বিষয়ক একটি নির্দেশনামা (  উডের ডেসপ্যাচ ) প্রচার করেন, যার ভিত্তিতে ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা শুরু হয়। বস্তুত হার্ডিঞ্জের ঘোষণা ভারতীয়দের মধ্যে পাশ্চাত্য শিক্ষা গ্রহণের বিষয়ে উৎসাহ বাড়িয়ে দেয়। এবং এই পটভূমিতে উডের ডেসপ্যাচ অনুসারে ১৮৫৭ সালে  কলকাতা, বোম্বাই ও মাদ্রাজে বিশ্ববিদ্যালয়  প্রতিষ্ঠিত হয়। ------xx----- এই প্রশ্নটিই অন্য যেভাবে আসতে পারে : হার্ডিঞ্জের ঘোষণা কী? হার্ডিঞ্জের ঘোষণার তাৎপর্য  উল্লেখ করো।  হার্ডিঞ্জের ঘোষণা কত সালে কি উদ্দেশ্যে জারি করা হয়? ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে লর্ড হার্ডিঞ্জের ঘোষণা কি প্রভাব ফেলেছিল? বড়লাট হার্ডিঞ্জের ঘোষণার সঙ্গে উডের...

শিক্ষার চুঁইয়ে পড়া নীতি' বলতে কী বোঝ?

'শিক্ষার চুঁইয়ে পড়া নীতি' বলতে কী বোঝ? শিক্ষার চুঁইয়ে পড়া নীতি' বলতে কী বোঝ? লর্ড বেন্টিং-এর আইন সচিব টমাস ব্যাবিংটন মেকলে  ১৮৩৫  সালে ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের দাবি জানিয়ে একটি প্রস্তাব দেন যা  ' মেকলে মিনিটস '  নামে পরিচিত। এই প্রস্তাবে পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনের স্বপক্ষে যুক্তি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, এদেশের উচ্চ ও মধ্যবিত্তদের মধ্যে ইংরেজি শিক্ষার প্রসার ঘটবে এবং তাদের দ্বারা তা চুইয়ে ক্রমশ সাধারণ দেশবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে। ফলে ভারতীয়রা রুচি, মত, নৈতিকতা ও বুদ্ধিমত্তায় ইংরেজদের মত হয়ে উঠবে। ইংরেজি শিক্ষার প্রসারের উদ্দেশ্যে মেকলের নেওয়া এই নীতি   ' চুঁইয়ে পড়া নীতি '   নামে পরিচিত। ------------xx----------- এই প্রশ্নের বিকল্প প্রশ্নগুলি হল : মেকলে মিনিটস কী?মেকলে মিনিটস এর অন্তর্ভুক্ত চুইয়ে পড়া নীতি ব্যাখ্যা করো। চুঁইয়ে পড়া নীতি কাকে বলে? এই নীতি কী ভাবে কাজ করে? কে কেন এবং কোথায় চুইয়ে পড়া নীতির কথা বলেছিলেন? এই বিষয়ে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন : ভারতের পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে 'মেকলে মিনিটস'র অবদান কী '? মেকল...

ভারতের পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে 'মেকলে মিনিটস'র অবদান কী'?

ভারতের পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে 'মেকলে মিনিটস'র অবদান কী'? জনশিক্ষা কমিটির সভাপতি টমাস ব্যাবিংটন মেকলে ১৮৩৫ সালে ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনের দাবিতে লর্ড বেন্টিং-এর কাছে একটি প্রস্তাব পেশ করেন, যা  মেকলে মিনিটস   বা  'মেকলে প্রস্তাব'  নামে পরিচিত। তাঁর মতে, এ দেশের উচ্চ ও মধ্যবিত্তদের মধ্যে ইংরেজি শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে  ' চুইয়ে পড়া নীতি '  অনুসারে তা ক্রমশ সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে। এর ফলে ভারতে এমন একটি সম্প্রদায়ের আত্মপ্রকাশ ঘটবে যারা  ‘রক্তবর্ণে ভারতীয় হলেও রুচি, মত, নৈতিকতা ও বুদ্ধিমত্তায়’  ইংরেজদের সমতুল্য হয়ে যাবে। তাঁর সুপারিশ মেনে লর্ড বেন্টিং এদেশে ইংরেজি শিক্ষার প্রসারকে সরকারি নীতি হিসেবে ঘোষণা করেন। ফলে এদেশে  পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসার  ঘটে। ----------xx-------- এই প্রশ্নটিই অন্য যেভাবে আসতে পারে : কে কত সালে মেকলে মিনিটস পেশ করেন? মেকলে মিনিটস এর উদ্দেশ্য কী ছিল? মেকলে মিনিটস কী? এর গুরুত্ব কী ছিল? পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে মেকলেড় প্রস্তাব কী ছিল? ভারতের আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থায় তার কী প্রভাব পড়েছিল? এই...

মেকলে মিনিটস কী?

মেকলে মিনিটস কী? লর্ড বেন্টিং-এর আইন সচিব টমাস ব্যাবিংটন মেকলে  'জনশিক্ষা কমিটি' র সভাপতি নিযুক্ত হন। এসময় এদেশে প্রাচ্য-পাশ্চাত্য পদ্ধতিতে শিক্ষাদান করা উচিত এই প্রশ্নে এই কমিটির সদস্যরা  প্রাচ্যবাদী  ও  পাশ্চাত্যবাদী  - এই দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন। উগ্র পাশ্চাত্যবাদী মেকলে ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনের দাবী জানিয়ে ১৮৩৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি লর্ড বেন্টিং-এর কাছে একটি প্রস্তাব পেশ করেন। এই প্রস্তাব ' মেকলে মিনিটস'  বা  'মেকলে প্রস্তাব'  নামে পরিচিত। -------xx------- এই প্রশ্নটি অন্য যেভাবে আসতে পারে : টমাস ব্যাবিংটন মেকলে কে ছিলেন? পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে তার ভূমিকা কী ছিল? মেকলেস প্রস্তাব কী? এই প্রস্তাবে মূল কথা কী ছিল? এই বিষয়ে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন : ভারতের পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে 'মেকলে মিনিটস'র অবদান কী '? মেকলে মিনিটস কী ? শিক্ষার চুঁইয়ে পড়া নীতি' বলতে কী বোঝ ? টীকা লেখ : প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যবাদী দ্বন্দ্ব

বহুল পঠিত প্রশ্ন-উত্তর এখানে