উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ছিলেন একাধারে একজন সাহিত্যিক চিত্রকর সঙ্গীতজ্ঞ বাদ্যযন্ত্র বাদক এবং প্রখ্যাত মুদ্রণ শিল্পী। সেই সঙ্গে একজন সফল উদ্যোগপতি। ব্লক তৈরীর জ্ঞানার্জন ও ব্যবসা শুরু: তিনি সর্বপ্রথম ব্লক তৈরী বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করেন এবং ১৮৯৫ সালে ব্লক তৈরির ব্যবসা শুরু করেন। ব্লক তৈরির বিষয়ে প্রবন্ধ প্রকাশ : এসময় তিনি ব্লক তৈরির বিভিন্ন কলাকৌশল নিয়ে প্রবন্ধ লেখা শুরু করেন যা ইংল্যান্ডের বিখ্যাত মুদ্রণ বিষয়ক পত্রিকা ‛পেনরোজ অ্যানুয়াল ভল্যুম'-এ প্রকাশিত হয়। ছাপাখানা তৈরিতে উদ্যোগ : ১৯১৩ সালে উপেন্দ্রকিশোর মুদ্রণ ব্যবসায় অর্থ বিনিয়োগ করেন এবং গড়ে তোলেন ‛ইউ এন রায় এন্ড সন্স‘ নামে একটি ছাপাখানা। এই ছাপাখানাটি দক্ষিণ এশিয়ার সর্বাধিক নিখুঁত মুদ্রণযন্ত্র হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছিল। হাফটোন ব্লক উদ্ভাবন : উপেন্দ্রকিশোর ভারতে প্রথম হাফটোন ব্লক নির্মাণ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন এবং 'রঙিন ব্লক' তৈরি ও তার ব্যবহারের সূচনা করেন। ইউরোপের এনগ্রেভিং মুদ্রণ পদ্ধতির সংস্কার করে তাকে আরও উন্নত করে তোলেন এবং পুত্র সুকুমার রায়কে ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাপার আধুনিক কলাকৌশল শেখার জন্য ভ...
অথবা টীকা লেখা:- সাঁওতাল বিদ্রোহ উনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে যে সমস্ত উপজাতি বিদ্রোহ হয়েছিল ।তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সাঁওতাল বিদ্রোহ। ব্রিটিশ সরকারের উপনিবেশিক শাসন বজায় রাখার জন্য, ব্রিটিশ সরকার যে সমস্ত ভূমি সংস্করণ করেছিল তার প্রভাব ভারতীয় উপজাতিদের মধ্যে ব্যাপক ভাবে প্রতিফলিত হয়েছিল। তাই শেষ পর্যন্ত 1855 খ্রিস্টাব্দে সাঁওতালরা বিদ্রোহ করতে বাধ্য হয় । যা সাঁওতাল বিদ্রোহ নামে পরিচিত। সাঁওতাল বিদ্রোহের কারণ বিহারের রাজমহল থেকে পশ্চিমবঙ্গে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের শান্তিপ্রিয় সাঁওতালরা বিভিন্ন কারণে ব্রিটিশদের উপর রেগে গিয়েছিল। যা হলো নিম্নরুপ:- ক) জমির উপর ব্রিটিশদের অধিকার :- সাঁওতালরা জঙ্গল পরিষ্কার করে জমি তৈরি করে চাষবাস শুরু করলে । ব্রিটিশ সরকার সাঁওতালদের কাছে এমন বিপুল হারে রাজস্বের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যা সাঁওতালরা জমি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। খ) সাঁওতালদের সর্বস্বান্ত :- ব্রিটিশ সরকার ভূমিরাজস্ব ছাড়াও অন্যান্য কর ও ঋণের দায়ভার সাঁওতালদের উপ...