সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

(৪) চতুর্থ অধ্যায় লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভারতমাতা চিত্রটির তাৎপর্য কী?

ভারতমাতা চিত্রটির তাৎপর্য : ভারতমাতা চিত্রটি শিল্পী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এক অসামান্য সৃষ্টি। হিন্দুদের ধনসম্পদের অধিকারিণী দেবী লক্ষীর অনুকরণে চতুর্ভুজা এই চিত্রটি ভগিনী নিবেদিতা ভারত-মাতা নামে অভিহিত করেন। এই চিত্রে দেখা যাচ্ছে ভারতমাতার পরনে গৈরিক বস্ত্র, চার হতে যথাক্রমে ধানের শিস,শ্বেতবস্ত্র,পুথি বা পুস্তক অর্থাৎ বেদ এবং জপের মালা। গৈরিক বসন ও চার হাতে ধরা চারটি বিষয় সম্বলিত চিত্রটি সর্বার্থে ভারত মায়ের প্রতীক হয়ে উঠেছে, যে তাঁর সন্তানদের চার হাত দিয়ে আগলে রেখেছেন। এই চিত্র ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় ভারতীয়দের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনা সৃষ্টি করে। বিকল্প প্রশ্ন : ভারতমাতা চিত্রটি কার আঁকা? এই চিত্রটি শিল্পী কাকে অনুকরণ করে এঁকেছিলেন  এবং কে এই নাম করণ করেছিলেন? ভারতমাতা চিত্রটির গুরুত্ব লেখ।  অন্যান্য প্রশ্ন : ভারতমাতা চিত্রের বৈশিষ্ট্য কী? এই চিত্রটি ভারতের জাতীয়তাবাদী চেতনা সৃষ্টিতে কীভাবে কতটা সাহায্য করেছে?  (প্রশ্নের মান - ৪) ভারতমাতা চিত্রটি ভারতের জাতীয়তাবাদী চেতনা সৃষ্টিতে কীভাবে কতটা সাহায্য করেছে?   (প্রশ্নের মান - ৪) 'ভারতমাতা' চিত্রটি কীভাবে ভা...

গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর স্মরণীয় কেন?

গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যঙ্গচিত্র : 'খল ব্রহ্মণ'  গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর স্মরণীয় কেন? বাংলা চিত্রশিল্প ও কার্টুন শিল্পের (ব্যঙ্গচিত্র) ক্ষেত্রে গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। তিনি তাঁর ব্যঙ্গচিত্রের মাধ্যমে ঔপনিবেশিক সমাজের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। তাঁর অঙ্কিত  'খল ব্রাহ্মণ',   ' প্রচন্ড মমতায়',   'জাঁতাসুর' প্রভৃতি   ব্যঙ্গচিত্র সে সময় বাঙালিদের মধ্যে ব্যপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। রসিক বাঙালি ব্যঙ্গচিত্রের রসাস্বাদনের  সাথে সাথে ঔপনিবেশিক সমাজব্যবস্থার কুফল সম্বন্ধে সচেতন এবং জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে ওঠেন। এটাই তাঁর ব্যঙ্গচিত্রের তাৎপর্য এবং এ কারণেই তিনি ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন।  ---------------------------- বিকল্প প্রশ্ন : চিত্রশিল্পী গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যঙ্গচিত্র উপনিবেশ বিরোধী জাতীয় চেতনা সৃষ্টিতে কীভাবে কতটা প্রভাব ফেলেছিল? জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশে গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যঙ্গচিত্রের ভূমিকা / তাৎপর্য / গুরুত্ব লেখ।  অন্যান্য প্রশ্ন :  ১)   গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর কীভাবে উপনিবেশিক সমাজের সমালোচনা করেছেন ? ✏✏✏✏✏✏✏✏✏✏✏✏✏✏✏✏✏✏✏...

ভারতমাতা চিত্রের বৈশিষ্ট্য কী? এই চিত্রটি ভারতের জাতীয়তাবাদী চেতনা সৃষ্টিতে কীভাবে কতটা সাহায্য করেছে?

'ভারতমাতা' চিত্রের বৈশিষ্ট্য কী? ভারতমাতা চিত্রটি শিল্পী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এক অসামান্য সৃষ্টি। বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি 'বঙ্গমাতা' নামে এই চিত্রটি অংকন করেছিলেন। হিন্দুদের ধনসম্পদের অধিকারিণী দেবী লক্ষীর অনুকরণে চতুর্ভুজা এই চিত্রটি ভগিনী নিবেদিতা  ভারত-মাতা নামে অভিহিত করেন। এই চিত্রটির বৈশিষ্ট্য (তাৎপর্য) হল, ভারতমাতার পরনে গৈরিক বস্ত্র, যা ভারতীয় হিন্দু সংস্কৃতির ধারণাকে প্রকাশ করে।  তাঁর এক হাতে শস্য অর্থাৎ ধানের শিষ, যা তাঁর সন্তানের জন্য অন্ন সংস্থানের বার্তা প্রকাশ করে।  তাঁর দ্বিতীয় হাতে শ্বেতবস্ত্র। এটা সন্তানের জন্য মাযের পরিধান যোগানোর ইঙ্গিত করে।  তাঁর তৃতীয় হাতে পুথি বা পুস্তক অর্থাৎ বেদ। শিক্ষা দানের নিশ্চয়তা বিধান করছেন ।  চতুর্থ হাতে জপের মালা। দীক্ষা দানের নিশ্চয়তা বিধান করছেন। এভাবে এই চিত্রটি হয়ে উঠেছে সর্বার্থে ভারত মায়ের প্রতীক যে তাঁর সন্তানদের চার হাত দিয়ে আগলে রেখেছেন। এই চিত্র ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় ভারতীয়দের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনা সৃষ্টি করে।  বিকল্প প্রশ্ন : ভারতমাতা চিত্রটি ভারতের জাতীয়তাবাদী চেতনা সৃষ্...

১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের চরিত্র ও প্রকৃতি আলোচনা করো:

১৮৫৭ খ্রীষ্টাব্দের বিদ্রোহের প্রকৃতি: ১৮৫৭ খ্রীষ্টাব্দের বিদ্রোহের প্রকৃতি নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতবিরোধ আছে. এক পক্ষের ঐতিহাসিকরা বলেন, এটি ছিল নিছক সিপাহী বিদ্রোহ। অপরপক্ষ বলেন, এটি ছিল জাতীয় আন্দোলন। তা ছাড়াও কেউ কেউ আবার এই বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম, সামন্ততান্ত্রিক প্রতিবাদ, কৃষক বিদ্রোহ, মুসলিম চক্রান্ত প্রভৃতি নানা নাম অভিহিত করেছেন। ১) সিপাহী বিদ্রোহ:   ইংরেজ ঐতিহাসিক চার্লস রেক্স, হোমস, এবং ভারতীয়দের মধ্যে কিশোরীচাঁদ মিত্র, দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহকে নিছক সিপাহী বিদ্রোহ বলেছেন। তাঁদের বক্তব্য - ক)১৮৫৭ সালের বিদ্রোফের চালিকাশক্তি ছিলেন সিপাহীরাই। তাদের অসন্তোষ থেকেই বিফ্রহের সূচনা হয়েছিল। খ) এই বিদ্রোহে ভারতীয় জাতীয় চেতনার অগ্রদূত শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী যোগদান করেনি বা ভারতের সমস্ত অঞ্চলের রাজারা আন্দোলনকে সমর্থন করেনি। ২) জাতীয় আন্দোলন: ঐতিহাসিক নর্টন, জন কে, কার্ল মার্কস প্রমুখ ১৮৫৭ খ্রীষ্টাব্দের বিদ্রোহকে জাতীয় বিদ্রোহ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁদের মতে , ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের জনগণ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে আন্দোলনে যোগদান করেছিল; বিদ্রোহ...

ভারতের জাতীয়তাবাদের বিকাশে ‘গোরা’ উপন্যাসের ভূমিকা কি ছিল?

'গোরা' উপন্যাসের দিয়ে কীভাবে স্বদেশভাবনা বা জাতীয়তাবোধ : উত্তর : গোরা’ উপন্যাস একটি স্বাদেশিক উপন্যাস। এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র গোরা, যাঁকে রবীন্দ্রনাথ একজন নির্ভেজাল দেশপ্রেমিক রূপে গড়ে তুলেছেন। ‘গোরা’ উপন্যাসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেন্দ্রীয় চরিত্র গোরার বক্তব্য ও কার্যকলাপের মাধ্যমে উগ্র জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে গঠনমূলক ও সমন্বয়বাদী জাতীয়তাবাদের কথা বলেছেন। ‘গোরা’ উপন্যাসের ভূমিকা : প্রথমত, গোঁরা উপন্যাসে গোরার চোখে দেশের অগণিত দরিদ্র মানুষের দুঃখকষ্ট ধরা পড়েছে। অশিক্ষিত মানুষের প্রতি এদেশীয় ইংরেজি জানা তথাকথিত শিক্ষিত ও ভদ্রবেশী মানুষের অবজ্ঞা ও বিদ্রুপ তাঁকে গভীরভাবে আহত করেছে। দ্বিতীয়ত, নায়ক গোরার কাছে পার্থিব প্রেম-ভালোবাসা, দেশাত্মবোধের কাছে হার মেনেছে। তাই তিনি তাঁর প্রেমিকা সুচরিতার প্রেমবন্ধন ছিন্ন করে দূরে সরে গিয়েছেন। তৃতীয়ত, ব্রাহ্মনেতা পরেশবাবুকে গোঁরা একদিন বলেছেন, ‘আপনি আমাকে আজ সেই দেবতার মন্ত্র দিন, যিনি হিন্দু-মুসলমান-খ্রিস্টান-ব্রাক্ষ্মণ সকলেরই....যিনি ভারতবর্ষের দেবতা।' এই উক্তির মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন গোরার অন্তরে মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা...

আনন্দমঠ উপন্যাসটি কিভাবে জাতীয়তাবাদী চেতনা বিস্তারে সহায়তা করেছিল?

আনন্দমঠ উপন্যাস ও জাতীয়তাবাদী চেতনার  বিস্তার বা বিকাশ : জাতীয়তাবোধ : জাতীয়তাবোধ হল একটি গভীর ঐক্যবোধের অনুভূতি। কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকায় বসবাসকারী জনগনের মধ্যে জাতি, ধর্ম,বর্ণ ভাষা প্রভৃতির কারণে যখন এই ধরণের গভীর ঐক্যবোধের সৃষ্টি হয় এবং তাদের মধ্যে দেশপ্রেমের সৃষ্টি হয় তখন তাকে জাতীয়তাবোধ বলে। পৃথিবীর যেকোন দেশে স্বদেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদী ভাবধারা বিকাশের সঙ্গে সেই দেশের দেশাত্মবোধক ও জাতীয়তাবাদী সাহিত্যের সম্পর্ক অতি ঘনিষ্ঠ। যে সমস্ত মনীষীরা তাদের লেখার মাধ্যমে ভারতীয়দের মধ্যে জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ও প্রসার ঘটিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায এবং তার লেখা দেশাত্মবোধক উপন্যাস ‘আনন্দমঠ'। আনন্দমঠ উপন্যাসের ভূমিকা : আনন্দমঠ উপন্যাসের পটভূমি হল অষ্টাদশ শতকের সন্ন্যাসী-ফকির বিদ্রোহ ও ছিয়াত্তরের মন্বন্তর। ১) এই উপন্যাসের সন্ন্যাসী ও ফকির সম্প্রদায়ের ত্যাগ, বৈরাগ্য এবং দেশকে স্বাধীন করার জন্য সবকিছু উৎসর্গ করার আদর্শ প্রচার করেন। এই আদর্শের প্রচার পরবর্তীকালে বিপ্লবীদের মধ্যে সংগ্রামী মনোভাবের জন্ম দেয়। ২) অন্যদিকে ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের মর্মস...

বহুল পঠিত প্রশ্ন-উত্তর এখানে