কে কত সালে ‘কৃষক-প্রজা পার্টি’ গড়ে তোলেন? এই দল গড়ে তোলার উদ্দেশ্য কী ছিল? কৃষক-প্রজা পার্টি গড়ে তোলার উদ্দেশ্য 'কৃষক-প্রজা পার্টি'র প্রতিষ্ঠাতা : আবুল কাশেম ফজলুল হক, যিনি 'শের-ই-বেঙ্গল' নামে পরিচিত ছিলেন, ১৯৩৬ সালে বাংলা প্রদেশে 'কৃষক-প্রজা পার্টি' গড়ে তোলেন। প্রকৃতপক্ষে আইন অমান্য আন্দোলন পর্বে ১৯২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত 'নিখিলবঙ্গ প্রজা সমিতি'র নাম পরিবর্তন করে 'কৃষক-প্রজা পার্টি' করা হয়। 'কৃষক-প্রজা পার্টি' প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য : ১৯৩৬ সালে কৃষক প্রজা পার্টি তাদের ইস্তাহারে দলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঘোষণা করে। ভারতে একটি দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা করা, ভারতের মুসলমানদের রাজনৈতিক ধর্মীয় ও অন্যান্য অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণ করা, ভারতের মুসলমান ও মুসলমানদের মধ্যে বন্ধুত্ব ও ঐক্য স্থাপন করা, জমিদারি প্রথা অবসানের উপর গুরুত্ব আরোপ করা, এবং খাজনার হার কমানো, কৃষকদের সুদ-মুক্ত ঋণ প্রদান করা, দেশব্যাপী খাল খনন করা, বিনা বেতনে প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা ইত্যাদি । সর্বোপরি, 'কৃষক-প্রজা পার্টি' বাংলার পিছিয়ে পড়া কৃষক শ্রেণির মধ্যে রাজনৈত...
অথবা টীকা লেখা:- সাঁওতাল বিদ্রোহ উনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে যে সমস্ত উপজাতি বিদ্রোহ হয়েছিল ।তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সাঁওতাল বিদ্রোহ। ব্রিটিশ সরকারের উপনিবেশিক শাসন বজায় রাখার জন্য, ব্রিটিশ সরকার যে সমস্ত ভূমি সংস্করণ করেছিল তার প্রভাব ভারতীয় উপজাতিদের মধ্যে ব্যাপক ভাবে প্রতিফলিত হয়েছিল। তাই শেষ পর্যন্ত 1855 খ্রিস্টাব্দে সাঁওতালরা বিদ্রোহ করতে বাধ্য হয় । যা সাঁওতাল বিদ্রোহ নামে পরিচিত। সাঁওতাল বিদ্রোহের কারণ বিহারের রাজমহল থেকে পশ্চিমবঙ্গে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের শান্তিপ্রিয় সাঁওতালরা বিভিন্ন কারণে ব্রিটিশদের উপর রেগে গিয়েছিল। যা হলো নিম্নরুপ:- ক) জমির উপর ব্রিটিশদের অধিকার :- সাঁওতালরা জঙ্গল পরিষ্কার করে জমি তৈরি করে চাষবাস শুরু করলে । ব্রিটিশ সরকার সাঁওতালদের কাছে এমন বিপুল হারে রাজস্বের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যা সাঁওতালরা জমি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। খ) সাঁওতালদের সর্বস্বান্ত :- ব্রিটিশ সরকার ভূমিরাজস্ব ছাড়াও অন্যান্য কর ও ঋণের দায়ভার সাঁওতালদের উপ...