সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

প্রথম অধ্যায় লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পথের পাঁচালি সিনেমার পরিচালক কে?

'পথের পাঁচালি' সিনেমার পরিচালক হলেন সত্যজিৎ রায়। 

নারীদশক বলা হয় কোন সময়কে?

 ১৯৭৫ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত সময়কালকে নারীদশক বলা হয়। আমেরিকা ও ইউরোপের নারী আন্দোলনকারীদের দাবিকে সমর্থন জানিয়ে জাতিসঙ্ঘ এই সময়কালকে নারীদশক হিসাবে ঘোষণা করে। 

কোন পত্রিকায় সর্বপ্রথম 'বন্দেমাতরম' সঙ্গীতটি প্রকাশিত হয়?

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বঙ্গদর্শন পত্রিকায় সর্বপ্রথম 'বন্দেমাতরম' সঙ্গীতটি প্রকাশিত হয়?

সাইলেন্ট স্প্রিং-এর লেখক কে?

সাইলেন্ট স্প্রিং-এর লেখক হলেন রেচল লুইজ কারসন (Rachel Louise Carson)। ১৯৫০ এর দশকের শেষ দিকে আমেরিকায় রাসায়নিক কীটনাশকসমূহের পরিবেশ-ধ্বংসকারী প্রভাব সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে তিনি এই গ্রন্থ রচনা করেন।

বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক কে ছিলেন?

বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক কে ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়?

ছৌ কোন রাজ্যের জনপ্রিয় নাচ?

ছৌ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জনপ্রিয় নাচ? তবে প্রতিবেশী রাজ্য উড়িষ্যা, ঝাড়খন্ড রাজ্যেও এই নাচ বহুল প্রচলিত।

গ্রিন ইম্পিরিয়ালিজম গ্রন্থের লেখক কে?

গ্রিন ইম্পিরিয়ালিজম গ্রন্থের লেখক হলেন রিচার্ড গ্রোভ।

বাঙালি মহিলাদের শাড়ি পরিধানের ব্রাহ্মিকা রীতির প্রচলন প্রথম কোথায় শুরু হয়?

বাঙালি মহিলাদের শাড়ি পরিধানের ব্রাহ্মিকা রীতির প্রচলন প্রথম শুরু হয় কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দাদা সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পত্নী জ্ঞানদানন্দিনী দেবী পারসি মহিলাদের শাড়িপড়ার রীতি গ্রহণ করে ‘ব্রাহ্মিকা রীতির’ প্রবর্তন করেন।

কত সালে প্রথম বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়?

১৯৭৪ সালে প্রথম বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। উল্লেখ্য, ১৯৭৩ সালে ৫ জুনকে জাতিসংঘের পরিবেশ-বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস' হিসেবে ঘোষণা দেয়।

ভারতে প্রদর্শিত প্রথম সবাক সিনেমা কোনটি?

আরদেশির ইরানি পরিচালিত ‘আলম আরা’ ছবিটি ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হিসেবে স্বীকৃত। ১৯৩১ সালের ১৪ মার্চ এই সিনেমাটি মুক্তি পায়।

আধুনিক ভারতের নৃত্যশৈলীর জনক বলা হয় কাকে?

প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী উদয় শঙ্করকে আধুনিক ভারতীয় নৃত্যশৈলীর জনক বলা হয়। তিনি প্রথাগত ভারতীয় ধ্রুপদী নৃত্যের সঙ্গে পাশ্চাত্যের মিশেল ঘটিয়ে নতুন নৃত্যধারার জন্ম দেন।

ক্রিকেট খেলার জন্ম হয় কোন দেশে?

১৭০৯ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রিকেট খেলার সূচনা হয়।

ভারতের নিম্নবর্গীয় ইতিহাস চর্চারজনক বলা হয় কাকে?

ইতিহাসবিদ রণজিৎ গুহকে নিম্নবর্গীয় ইতিহাস চর্চার জনক বলা হয়। তিনি ১৯৮২ সালে 'On Some Aspects of the Historiography of Colonial India' গ্রন্থের মাধ্যমে ভারতে নিম্নবর্গীয় ইতিহাস চর্চা শুরু করেন।

নতুন সামাজিক ইতিহাসেরসূচনা হয় কখন?

সাধারণভাবে ধরা হয়, নতুন সামাজিক ইতিহাসের সূচনা বিংশ শতকের ষাটের দশকে। তবে এনাল পত্রিকা গোষ্ঠী ১৯২৯ সালে এই ধারার সূচনা করেন। এবং ব্রিটিশ ঐতিহাসিকদের একটি গোষ্ঠী 'পাস্ট অন্ড প্রেজেন্ট' পত্রিকার মাধ্যমে নতুন সামাজিক ইতিহাসচর্চাকে সার্থক করে তোলেন।

ইতিহাসের উপাদান হিসেবে কন্যা ইন্দিরা গান্ধীকে লেখা পিতা জহরলাল নেহরু চিঠিগুলির গুরুত্ব কী?

অথবা ইন্দিরা গান্ধীকে লেখা পিতা জহরলাল নেহরু চিঠিগুলির গুরুত্ব লেখ। আধুনিক ভারতের ইতিহাসের অন্যতম উপাদান হিসেবে নিঃসন্দেহে ব্যক্তিগত চিঠিপত্র যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। এরূপ একটি ব্যক্তিগত চিঠি পত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল "লেটার্স ফ্রম আ ফাদার টু হিজ ডটার"। নিম্নে এই চিঠির গুরুত্ব আলোচনা করা হল : ১) চিঠিপত্র সেন্সর : গ্রন্থটির ভূমিকা থেকে জহরলাল নেহেরুর স্বাধীনতা সংগ্রাম ও কারাবরণের কথা যেমন জানা যায়, ঠিক সেরকমই সে সময় কারাগারে জেল বন্দির ঘন ঘন যে চিঠি লেখা যেত না সে সম্পর্কে অনেক তথ্য পাওয়া যায়। ২) পিতার উপদেশ: 1928 খ্রিস্টাব্দে জহরলাল নেহেরু এলাহাবাদের জেল থেকে তার দশ বছর বয়সী কন্যা ইন্দিরা গান্ধীকে যে 30 টি চিঠি লিখেছিলেন, সেই চিঠিতে কন্যার প্রতি একজন স্নেহময় পিতার অমূল্য তত্ত্বাবধান ও উপদেশ রয়েছে। ৩) অর্থনৈতিক দুর্দশা : এই চিঠিতে তিনি ভারতের অর্থনৈতিক বৈষম্য, খাদ্য সংকট, গরিবি প্রভৃতি ভারতবর্ষের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং তার কারণও তুলে ধরেন। ৪) সভ্যতার প্রতিষ্ঠা : বুদ্ধি কিভাবে মানুষকে অন্যান্য প্রাণীদের চেয়ে চতুর ও শক্তিশালী করে তুলল, কিভাবে ধর্ম বিশ্বাস এর প্রচলন হল, ...

ইতিহাসের উপাদান হিসেবে আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ইতিহাসের উপাদান হিসেবে আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা কেন গুরুত্বপূর্ণ? বর্তমান সময়ে ইতিহাস লেখার জন্য বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার করতে হয় তার মধ্যে লিখিত অবদান হল   গুরত্বপূর্ন ।   লিখিত উপাদানের মধ্যে রয়েছে-  1.আত্মজীবনী    2. স্মৃতিকথা   এই দুটি থেকে বহু তথ্য পাওয়া যায় । তাই তৎকালীন ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে এগুলির গুরুত্ব অপরিসীম। আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথাগুলিও হল এক ধরনের সাহিত্য। লেখক তার চোখে দেখা বিভিন্ন ঘটনা ও নিজের অভিজ্ঞতার কথা এই জীবনীগ্রন্থে প্রকাশ করেন। আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা গুরুত্বঃ- প্রথমত , সাধারণ মানুষের কথা, লেখক এর পারিপার্শিক পরিবেশ, কোন কোন ঘটনার বিবরণী প্রভৃতি ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে তথ্যের জোগান দেয়। দ্বিতীয়ত , রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির বিভিন্নধর্মী ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। তৃতীয়ত, স্থানীয় ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে এই উপাদান সহায়ক ভূমিকা পালন করে। চতুর্থত, বৃহত্তম বা জাতীয় ইতিহাসের বহু উপেক্ষিত বিষয়ের উপর আলোকপাত করে। সীমাবদ্ধতাঃ-  যদিও এ প্রসঙ্গে বলতে হয় যেহেতু স্মৃতিকথা লেখক স্মৃতিপট থেকে সংগ্রহ করে আনেন তাই অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত...

আধুনিক ভারতের ইতিহাসের উপাদান হিসেবে সরকারি নথিপত্রের গুরুত্ব আলোচনা কর।

সরকারি নথিপত্রের গুরুত্ব আলোচনা কর। আধুনিক ভারতের ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সরকারি নথিপত্র । এই সরকারি নথিপত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সরকারি প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বিভিন্ন পদাধিকারী যেমন পুলিশ, গোয়েন্দা বা সরকারি আধিকারিকদের রিপোর্ট, প্রতিবেদন, বিবরণ ও চিঠিপত্র ইত্যাদি। সরকারি নথিপত্রের গুরুত্ব : ১) সরকারি প্রতিবেদন : সরকারের আধিকারি, গুরুত্বপূর্ণ কর্মচারী, পুলিশ বা গোয়েন্দা, প্রভৃতিরা বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবেদন পাঠাতো সরকারের কাছে। এই প্রতিবেদনগুলি থেকে ওই সময়ের বিভিন্ন আন্দোলন বা গুপ্তবিপ্লবী কার্যকলাপ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যায়। ২) বিশেষ কমিশনের প্রতিবেদন: সরকার বিশেষ বিশেষ সমস্যার জন্য কমিশন গঠন করতো এবং সেই কমিশন সরকারকে রিপোর্ট জমা দিত। এই রিপোর্টেগুলো থেকেও বিভিন্ন ঐতিহাসিক তথ্য পাওয়া যায়। যেমন, সাইমন কমিশনের প্রতিবেদন থেকে সমকালীন শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক উপাদান সংগ্রহ করা যায়। তাই এই প্রতিবেদনগুলিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৩) চিঠিপত্রের আদান-প্রদান : সরকারি ব্যবস্থায় চিঠিপত্র আদান-প্রদান করা একটি স্বাভাবিক ঘ...

বহুল পঠিত প্রশ্ন-উত্তর এখানে