বাংলা তথা ভারতে পাশ্চাত্য বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসারে মহেন্দ্রলাল সরকার বাংলা একাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। একজন ডাক্তার ও বিদ্যার্থী হিসেবে তিনি বাঙালি জাতিকে অন্ধ বিশ্বাস এর পরিবর্তে যুক্তিবাদের পথে চালিত করতে উদ্যোগী হন। এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা : ১৮৬১ সালে আই এম এস এবং ১৮৬৩ সালে তিনি এমডি ডিগ্রী লাভ করেন। অসাধারণ রোগ নির্ণয় ও নিরাময়ের ক্ষমতা অচিরেই তাকে জনপ্রিয় করে তোলে। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা : প্রথম দিকে তিনি অ্যালোপ্যাথি চর্চা করলেও পরবর্তীকালে রাজেন্দ্রলাল দত্ত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রেরণায় তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় মনোনিবেশ করেন এবং অচিরেই চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে বিশ্বের অন্যতম সেরা হোমিওপ্যাথি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। বৈজ্ঞানিক সংগঠক: বৈজ্ঞানিক সংগঠক হিসেবে তিনি খ্যাতি লাভ করেছেন ‘ ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অফ সায়েন্স’ (IACS) বা ‘ ভারতবর্ষীয় বিজ্ঞান সভা’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। ১৮৭৬ সালে তৈরি এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল পদার্থ ও রসায়ন বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় মৌলিক গবেষণা করা। গবেষণাপত্র প্রকাশ: এই বিজ্ঞান সংস্থার গবে...
অথবা টীকা লেখা:- সাঁওতাল বিদ্রোহ উনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে যে সমস্ত উপজাতি বিদ্রোহ হয়েছিল ।তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সাঁওতাল বিদ্রোহ। ব্রিটিশ সরকারের উপনিবেশিক শাসন বজায় রাখার জন্য, ব্রিটিশ সরকার যে সমস্ত ভূমি সংস্করণ করেছিল তার প্রভাব ভারতীয় উপজাতিদের মধ্যে ব্যাপক ভাবে প্রতিফলিত হয়েছিল। তাই শেষ পর্যন্ত 1855 খ্রিস্টাব্দে সাঁওতালরা বিদ্রোহ করতে বাধ্য হয় । যা সাঁওতাল বিদ্রোহ নামে পরিচিত। সাঁওতাল বিদ্রোহের কারণ বিহারের রাজমহল থেকে পশ্চিমবঙ্গে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের শান্তিপ্রিয় সাঁওতালরা বিভিন্ন কারণে ব্রিটিশদের উপর রেগে গিয়েছিল। যা হলো নিম্নরুপ:- ক) জমির উপর ব্রিটিশদের অধিকার :- সাঁওতালরা জঙ্গল পরিষ্কার করে জমি তৈরি করে চাষবাস শুরু করলে । ব্রিটিশ সরকার সাঁওতালদের কাছে এমন বিপুল হারে রাজস্বের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যা সাঁওতালরা জমি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। খ) সাঁওতালদের সর্বস্বান্ত :- ব্রিটিশ সরকার ভূমিরাজস্ব ছাড়াও অন্যান্য কর ও ঋণের দায়ভার সাঁওতালদের উপ...