সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জমিদার সভা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

জমিদার সভার সীমাবদ্ধতা

জমিদার সভার দুটি সীমাবদ্ধতা লেখ। ভারতের প্রথম উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক সংগঠনের নাম হল জমিদার সভা বা ল্যান্ড হোল্ডার সোসাইটি । জমিদার সভার ঘোষণাপত্রে বলা হয় যে, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ভারতের মাটির সঙ্গে শর্তযুক্ত সকল মানুষই এই প্রতিষ্ঠান সদস্য হতে পারে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের কার্যনির্বাহক সমিতির সকল সদস্য ছিলেন প্রতিষ্ঠান জমিদার। জমিদার সভার দুটি সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো : ১) সবার জন্য এই প্রতিষ্ঠান খাতায়-কলমে উন্মুক্ত থাকলেও সাধারণ মানুষ এই সভার সদস্য হবার বিশেষ সুযোগ পেতেন না। ২) দাবি আদায়ের ক্ষেত্রেও সাধারণ মানুষের স্বার্থের চেয়ে জমিদারদের স্বার্থ রক্ষা করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ------------------x------------------ বিকল্প প্রশ্ন :   ল্যান্ড হোল্ডার সোসাইটির সীমাবদ্ধতা কী ছিল?

টীকা লেখো : জমিদার সভা।

 রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে জমিদার সভা : ভারতের প্রথম উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক সংগঠনের নাম হল ' জমিদার সভা'   বা ' ল্যান্ড হোল্ডার সোসাইটি' । দ্বারকানাথ ঠাকুরের উদ্যোগে, রাজা রাধকান্ত দেবের সভাপতিত্বে এবং  প্রসন্নকুমার ঠাকুরের সম্পাদনায়   ১৮৩৮ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।   প্রধান উদ্দেশ্য : এই সংগঠনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল: ১) বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার জমিদারদের স্বার্থ রক্ষা করা, ২) ব্রিটিশ আমলাতন্ত্রকে জমিদারদের স্বপক্ষে আনা, ৩) ভারতের সর্বোচ্চ চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রসার ঘটানো, ৪) পুলিশ বিচার ও রাজস্ব বিভাগের সংস্কার সাধন করা। সদস্যমণ্ডলী : এই প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন রামকমল সেন,ভবনীচরণ মিত্র প্রমুখ। বেসরকারি ব্যবসা-বাণিজ্যে নিযুক্ত ব্রিটিশরা এই সবার সদস্য হতে পারলেও সাধারণ মানুষের সেই সুযোগ ছিলো না।  রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে আত্মপ্রকাশ : একটি বড়ো রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে আত্মপ্রকাশ এবং ব্রিটেনে বসবাসকারী ভারতীয়দের মাধ্যমে ভারতীয়দের অভাব-অভিযোগ ব্রিটিশ সরকারের কাছে পৌঁছে দিয়ে তার সমাধান করার উদ্দেশ্যে ১৮৫১ সালে লন্ডনের 'ব্রিটিশ ই...

জমিদার সভার ( ল্যান্ড হোল্ডার সোসাইটি) উদ্দেশ্য কি ছিল?

জমিদার সভার ( ল্যান্ড হোল্ডার সোসাইটি) উদ্দেশ্য : ভারতের প্রথম উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক সংগঠনের নাম হল ' জমিদার সভা' বা ' ল্যান্ড হোল্ডার সোসাইটি' । উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য : ১৮৩৮ সালে দ্বারকানাথ ঠাকুরের উদ্যোগে এবং রাজা রাধাকান্ত দেবের সভাপতিত্বে  প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল:  ১) বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার জমিদারদের স্বার্থ রক্ষা করা,  ২) ব্রিটিশ আমলাতন্ত্রকে জমিদারদের স্বপক্ষে আনা,  ৩) ভারতের সর্বোচ্চ চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রসার ঘটানো,  ৪) পুলিশ বিচার ও রাজস্ব বিভাগের সংস্কার সাধন করা। গুরুত্ব বা তাৎপর্য : জমিদার সভার আবেদনের ভিত্তিতে সরকার ১০ বিঘা পর্যন্ত ব্রহ্মোত্তর জমির খাজনা করে। এই সংগঠন দীর্ঘস্থায়ী না হলেও ভারতে আধুনিক প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতির ক্ষেত্রে একটি নতুন ধারার সূচনা করে। ডক্টর রাজেন্দ্রলাল মিত্র তাই জমিদার সভা কে ভারতের স্বাধীনতার অগ্রদূত বলে অভিহিত করেছেন। --------------------------- বিকল্প প্রশ্ন : ১) জমিদার সভার উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব উল্লেখ করো। ২) কারা কী উদ্দেশ্যে ল্যান্ড হোল্ডার সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন? ৩) জমিদার সভার প্রধান লক্ষ্য কী ছিল? ...

বহুল পঠিত প্রশ্ন-উত্তর এখানে