কী পরিস্থিতিতে রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন গঠিত হয়েছিল? - ২০২০, ২০২৩ কী পরিস্থিতিতে রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন গঠিত হয়েছিল? স্বাধীন ভারত সরকার তেলেগু ভাষাভাষীদের দাবির ভিত্তিতে ১৯৫৩ সালে স্বতন্ত্র ভাষাভিত্তিক রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশ গঠন করলে এই সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে ভারতের অন্যান্য ভাষা গোষ্ঠীর মানুষরাও আন্দোলনের নামে। ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠনের দাবিতে গঠিত আন্দোলনের হিংসাত্মক প্রভাব কমাতে এবং অঙ্গরাজ্যগুলির সীমানা নির্ধারণ নির্ধারণের নীতি তৈরীর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু ১৯৫৩ সালে আগস্ট মাসে রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন গঠন করেন। কমিশনের মোট সদস্য ছিলেন তিনজন। এরা হলেন বিচারপতি ফজল আলী, কে. এম পানিক্কর, ও হৃদয়নাথ কুঞ্জুর। ---------xx------- এই প্রশ্নটি আর যেভাবে ঘুরিয়ে আসতে পারে : কত সালে কেন রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন গঠিত হয়েছিল? রাজ্য পুনর্গঠন কমিশনের পটভূমি উল্লেখ করো। কে কী উদ্দেশ্যে রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন গঠন করেছিলেন? কত সালে ভাষার ভিত্তিতে রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন গঠন করা হয়েছিল? এই কমিশনের সদস্যদের নাম লেখো। রাজ্য পুনর্গঠন বিষয়ক আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন : রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন ১৯৫৩ কেন...
অথবা টীকা লেখা:- সাঁওতাল বিদ্রোহ উনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে যে সমস্ত উপজাতি বিদ্রোহ হয়েছিল ।তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সাঁওতাল বিদ্রোহ। ব্রিটিশ সরকারের উপনিবেশিক শাসন বজায় রাখার জন্য, ব্রিটিশ সরকার যে সমস্ত ভূমি সংস্করণ করেছিল তার প্রভাব ভারতীয় উপজাতিদের মধ্যে ব্যাপক ভাবে প্রতিফলিত হয়েছিল। তাই শেষ পর্যন্ত 1855 খ্রিস্টাব্দে সাঁওতালরা বিদ্রোহ করতে বাধ্য হয় । যা সাঁওতাল বিদ্রোহ নামে পরিচিত। সাঁওতাল বিদ্রোহের কারণ বিহারের রাজমহল থেকে পশ্চিমবঙ্গে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের শান্তিপ্রিয় সাঁওতালরা বিভিন্ন কারণে ব্রিটিশদের উপর রেগে গিয়েছিল। যা হলো নিম্নরুপ:- ক) জমির উপর ব্রিটিশদের অধিকার :- সাঁওতালরা জঙ্গল পরিষ্কার করে জমি তৈরি করে চাষবাস শুরু করলে । ব্রিটিশ সরকার সাঁওতালদের কাছে এমন বিপুল হারে রাজস্বের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যা সাঁওতালরা জমি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। খ) সাঁওতালদের সর্বস্বান্ত :- ব্রিটিশ সরকার ভূমিরাজস্ব ছাড়াও অন্যান্য কর ও ঋণের দায়ভার সাঁওতালদের উপ...