কারা পাগলাপন্থী নামে পরিচিত? ময়মনসিংহ জেলার শেরপুর পরগনায় পাহাড়ের পাদদেশে গারো উপজাতির মানুষেরা বসবাস করত। ফকির করিম শাহ চাঁদগাজী এই উপজাতীয়দের মধ্যে এক নতুন ধর্মমত প্রচার করেন। এই ধর্মের মূল কথা হলো, সকল মানুষ ঈশ্বরের সৃষ্ট, কেউ কারো অধীন নয়। সুতরাং উচ্চ-নিচ ভেদাভেদ করা সঙ্গত নয়। এই ধর্মমতের অনুগামীরা বাউল বা পাগলাপন্থী নামে পরিচিত। করিম শাহ এর মৃত্যুর পর তার পুত্র টিপু শাহ টিপু পাগলের নেতৃত্বে পাগলাপন্থী গারো জনগণ জমিদার ও ইংরেজদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আন্দোলনে শামিল হয়। এই আন্দোলন ‘ পাগলাপন্থী বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত। -----------x----------- বিকল্প প্রশ্ন : পাগলাপন্থী বিদ্রোহ কী? কার নেতৃত্বে এই বিদ্রোহ হয়? বাউল কাদের বলা হয়?
অথবা টীকা লেখা:- সাঁওতাল বিদ্রোহ উনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে যে সমস্ত উপজাতি বিদ্রোহ হয়েছিল ।তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সাঁওতাল বিদ্রোহ। ব্রিটিশ সরকারের উপনিবেশিক শাসন বজায় রাখার জন্য, ব্রিটিশ সরকার যে সমস্ত ভূমি সংস্করণ করেছিল তার প্রভাব ভারতীয় উপজাতিদের মধ্যে ব্যাপক ভাবে প্রতিফলিত হয়েছিল। তাই শেষ পর্যন্ত 1855 খ্রিস্টাব্দে সাঁওতালরা বিদ্রোহ করতে বাধ্য হয় । যা সাঁওতাল বিদ্রোহ নামে পরিচিত। সাঁওতাল বিদ্রোহের কারণ বিহারের রাজমহল থেকে পশ্চিমবঙ্গে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের শান্তিপ্রিয় সাঁওতালরা বিভিন্ন কারণে ব্রিটিশদের উপর রেগে গিয়েছিল। যা হলো নিম্নরুপ:- ক) জমির উপর ব্রিটিশদের অধিকার :- সাঁওতালরা জঙ্গল পরিষ্কার করে জমি তৈরি করে চাষবাস শুরু করলে । ব্রিটিশ সরকার সাঁওতালদের কাছে এমন বিপুল হারে রাজস্বের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যা সাঁওতালরা জমি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। খ) সাঁওতালদের সর্বস্বান্ত :- ব্রিটিশ সরকার ভূমিরাজস্ব ছাড়াও অন্যান্য কর ও ঋণের দায়ভার সাঁওতালদের উপ...