সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করেছিলেন কেন?

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করেছিলেন কেন? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা ব্রিটিশ শাসনকালে ভারতেসরকার কর্তৃক যে প্রথাগত শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হয় তা উপনিবেশিক শিক্ষা নামে পরিচিত।  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পাশ্চাত্য শিক্ষার পৃষ্ঠপোষক হলেও তিনি এই ব্যবস্থার কঠোর সমালোচনা করেছিলেন। এই শিক্ষাব্যবস্থায়, তাঁর কথায়, 'ছাত্ররা দুই-চার পাত কলে-ছাঁটা বিদ্যা লইয়া বাড়ি ফেরে।' ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা : ভারতের অতীত ঐতিহ্য স্থান পায়নি : ঔপনিবেশিক শিক্ষা ব্যবস্থায় ভারতের গৌরবোজ্জ্বল অতীত, সাংস্কৃতিক মহিমা ও জাতীয় ঐতিহ্যের কোন স্থান ছিল না এই শিক্ষায় মাধ্যম হিসেবে মাতৃভাষাকে গুরুত্ব দেয়া হয়নি।  ফলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীরা খুবই সমস্যায় পড়ে।  ঔপনিবেশিক শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের চার দেয়ালের শ্রেণীকক্ষে আটকে যান্ত্রিক উপায়ে পাঠদান করা হতো।  ফলে শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে শিশুরা আনন্দ পেতনা। উপনিবেশিক শিক্ষা ব্যবস্থায় মাতৃভাষার সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় শিক্ষার্থীরাতার চারপাশের প্রাবন্ধ প্র...

কৃষক-প্রজা পার্টি গড়ে তোলার উদ্দেশ্য

 কে কত সালে ‘কৃষক-প্রজা পার্টি’ গড়ে তোলেন? এই দল গড়ে তোলার উদ্দেশ্য কী ছিল? কৃষক-প্রজা পার্টি গড়ে তোলার উদ্দেশ্য 'কৃষক-প্রজা পার্টি'র প্রতিষ্ঠাতা : আবুল কাশেম ফজলুল হক, যিনি 'শের-ই-বেঙ্গল' নামে পরিচিত ছিলেন, ১৯৩৬ সালে বাংলা প্রদেশে 'কৃষক-প্রজা পার্টি' গড়ে তোলেন। প্রকৃতপক্ষে আইন অমান্য আন্দোলন পর্বে ১৯২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত 'নিখিলবঙ্গ প্রজা সমিতি'র নাম পরিবর্তন করে 'কৃষক-প্রজা পার্টি' করা হয়। 'কৃষক-প্রজা পার্টি' প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য : ১৯৩৬ সালে কৃষক প্রজা পার্টি তাদের ইস্তাহারে দলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঘোষণা করে। ভারতে একটি দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা করা,  ভারতের মুসলমানদের রাজনৈতিক ধর্মীয় ও অন্যান্য অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণ করা,  ভারতের মুসলমান ও মুসলমানদের মধ্যে বন্ধুত্ব ও ঐক্য স্থাপন করা,  জমিদারি প্রথা অবসানের উপর গুরুত্ব আরোপ করা, এবং খাজনার হার কমানো, কৃষকদের সুদ-মুক্ত ঋণ প্রদান করা, দেশব্যাপী খাল খনন করা, বিনা বেতনে প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা ইত্যাদি ।  সর্বোপরি, 'কৃষক-প্রজা পার্টি' বাংলার পিছিয়ে পড়া কৃষক শ্রেণির মধ্যে রাজনৈত...

‘ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অফ সায়েন্স’ কে কী উদ্দেশ্যে গড়ে তুলেছিলেন?

 ‘ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অফ সায়েন্স’ কে কী উদ্দেশ্যে গড়ে তুলেছিলেন? ‘ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অফ সায়েন্স’ কে কী উদ্দেশ্যে গড়ে তুলেছিলেন? ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দের ২৯ শে জুলাই কলকাতার প্রখ্যাত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ডক্টর মহেন্দ্রলাল সরকার ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অফ সায়েন্স প্রতিষ্ঠা করেন।  আইএসিএস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য : ‘ভারতবর্ষীয় বিজ্ঞান সভা’ বা ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অফ সায়েন্স গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল : সরকারি অনুদান ছাড়া বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের প্রসার ঘটানো  বিজ্ঞান আন্দোলনকে জনপ্রিয় ও প্রসারিত করা  তরুণ ছাত্র সমাজে মৌলিক বিজ্ঞানের অনুশীলন ও গবেষণার প্রতি উৎসাহ গড়ে তোলা  দেশের উন্নতিতে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা  মৌলিক বিজ্ঞানের  চর্চা ও গবেষণাকে ভবিষ্যতে দেশের কল্যাণের মাধ্যমে মানবজাতিকে সুখকর জীবন যাপনের দিকে চালিত করা। ---------xx-------- আইএসিএস বিষয়ে আরো কিছু প্রশ্ন ও উত্তর : মহেন্দ্রলাল সরকার স্মরণীয় কেন ? বিজ্ঞান চর্চার ইতিহাসে ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকার স্মরণীয় ...

হিন্দু মেলা’র চারটি উদ্দেশ্য ও সীমাবদ্ধতা

‘হিন্দু মেলা’র চারটি উদ্দেশ্য ও চারটি সীমাবদ্ধতা লেখো। হিন্দু মেলা’র চারটি উদ্দেশ্য ও সীমাবদ্ধতা হিন্দু মেলা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য : হিন্দু মেলার দ্বিতীয় অধিবেশনেই সম্পাদক জ্ঞানেন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেন- আমাদের এই মিলন সাধারণ ধর্ম-কর্মের জন্য নয়, কোনো বিশেষ সুখের জন্য নয়, কোনো আমোদ-প্রমোদের জন্য নয়। এটি স্বদেশের জন্য, ভারতের জন্য। হিন্দু মেলা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল - সাধারণ মানুষ বিশেষ করে শিক্ষিত যুবকদের মধ্যে হিন্দুধর্মের অতীত গৌরবের কথা ছড়িয়ে দেওয়া।  দেশীয় ভাষা চর্চা করা, জাতীয় প্রতীকগুলিকে মর্যাদা দেওয়া প্রভৃতি।  প্রাচীন হিন্দু ঐতিহ্য তুলে ধরে নবগোপাল মিয় এদেশে পাশ্চাত্য সভ্যতা ও সংস্কৃতির প্রসার প্রতিরোধের উদ্যোগ নেন।  এই উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তৈরি করে যুবকদের দৈহিক শক্তি বৃদ্ধি ও শৃংখলাবন্ধ হওয়ার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। যাতে তারা বৃটিশ স্যগ্রাজ্যবাদী ও উপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামে লিপ্ত হতে পারে। সাধারণ মানুষকে তাদের অতীত ঐতিহ্য সম্বন্ধে অবহিত করা হয়।  কবি, সাহিত্যক, চিন্তাবিদ, শিল্পীদের অবদান সম্পর্কে সচেতন করা। শিল্পী, লেখকদের পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থা করা।...

মোপলা বিদ্রোহের কারণ কী?

মোপলা বিদ্রোহের কারণ কী? মোপলা বিদ্রোহের কারণ কী? What is the cause of Moplah rebellion? ১৯২১ সালে মালাবার উপকূলের মোপলা কৃষকরা মহম্মদ হাজির নেতৃত্বে জমিদার শ্রেণীর সামন্ততান্ত্রিক শোষণের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। এই বিদ্রোহ মোপলা বিদ্রোহ নামে পরিচিত। এই বিদ্রোহের কারণগুলি হলো - কেরালার মালাবার অঞ্চলে রাজস্বের হার ছিল অত্যন্ত বেশি। অত্যধিক হারে রাজস্ব দিতে গিয়ে কৃষকরা সর্বস্বান্ত হয়ে যেত।  এই অঞ্চলের অস্পষ্ট প্রজাস্বত্ব আইনের সুযোগ নিয়ে সরকার ও জমিদাররা মোপলা কৃষকদের উপর তীব্র শোষণ চালাত। ব্রিটিশ সরকার তাদের এই অভিযোগের সমাধান করার জন্য যথেষ্ট কাজ করছে না। ----------xx----------- এই বিষয়ে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন : মোপলা বিদ্রোহের ঐতিহাসিক পটভূমি।

উপনিবেশিক শিক্ষা ব্যবস্থা ত্রুটি

উপনিবেশিক শিক্ষা ব্যবস্থা ত্রুটি উপনিবেশিক শিক্ষা ব্যবস্থা ত্রুটি উপনিবেশিক শিক্ষা ব্যবস্থা ত্রুটিপূর্ণ ছিল কেন?  ভারতে ইংরেজদের প্রবর্তিত উপনিবেশিক শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল ত্রুটিপূর্ণ। কারণ - এই শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল পুঁথিগত। বাস্তবমুখী প্রযুক্তিবিদ্যার অভাব ছিল আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষাদানের মাধ্যম ছিল ইংরেজি ভাষা। ফলে উচ্চ পর্বের শহরের শিক্ষার্থীরা এই শিক্ষা লাভের সুযোগ পেলেও ইংরেজি ভাষায় অজ্ঞ বাংলার বৃহত্তম গ্রামীণ সমাজের সাধারণ মানুষ এই শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পায়নি।  কলেজ ও মাধ্যমিক স্তরের স্কুল প্রতিষ্ঠিত হলেও প্রাথমিক শিক্ষার প্রসারে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া হয়নি।  এই শিক্ষা ব্যবস্থায় নারী শিক্ষার প্রসারে গুরুত্ব দেয়া হয়নি। -----------xx------------ এই বিষয়ে আরো কিছু প্রশ্ন ও উত্তর : ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটিগুলি সংক্ষেপে লেখ

জাতীয়তাবাদের উন্মেষে আনন্দমঠ উপন্যাসটির অবদান

জাতীয়তাবাদের উন্মেষে আনন্দমঠ উপন্যাসটির অবদান জাতীয়তাবাদের উন্মেষে আনন্দমঠ উপন্যাসটির অবদান উনিশ শতকে জাতীয়তাবাদের উন্মেষে আনন্দমঠ উপন্যাসটির কিরূপ অবদান ছিল? আনন্দমঠ উপন্যাসটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 1882 সালে রচনা করেন। উনিশ শতকের জাতীয়তাবাদের উত্থানে এই গ্রন্থটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিল। যেমন - এই গ্রন্থটি স্বদেশপ্রেমের উত্থান ঘটায়। কারণ গ্রন্থটিতে বলা হয়েছিল যে দেশপ্রেম হলো ধর্ম এবং দেশ সেবা হল পূজা।  এই উপন্যাসে জন্মভূমিকে মাতৃরূপে কল্পনা করে রচিত বন্দে মাতারাম সংগীতটি পরাধীন ভারতের বিপ্লবী মন্ত্রী পরিণত হয়েছিল?  এই গ্রন্থটি দেশের যুবসমাজকে স্বদেশ ভক্তি, ত্যাগ ও সেবা ধর্মের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করে স্বদেশ প্রেমের গীতারূপে চিহ্নিত হয়। -------------xx-------------- এই অধ্যায়ের আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর : ভারতীয় জাতীয়তাবোধের বিকাশে লেখা ও রেখার কীভাবে ফুটে উঠেছিল ?

ফরাজী আন্দোলন কি নিছক ধর্মীয় আন্দোলন ছিল?

 ফরাজী আন্দোলন কি নিছক ধর্মীয় আন্দোলন ছিল?  ফরাজী আন্দোলন কি নিছক ধর্মীয় আন্দোলন ছিল? ফরাজি আন্দোলন কি ধর্মীয় আন্দোলন ছিল? হাজী শরীয়তুল্লাহ ইসলাম ধর্মের সংস্কার ও শুদ্ধিকরণের জন্য ফরাজি আন্দোলনের সূচনা করলেও পরবর্তীকালে তার পুত্র দদুমিয়া এই আন্দোলনকে ধর্মীয় মোড়ক থেকে বের করে এনে একে সার্থক কৃষক আন্দোলনে উন্নীত করেছিলেন। জমি আল্লাহর দান সেখানে কর ধার্য করার অধিকার জমিদারের নেই -  দুদুমিয়ার এই বক্তব্যে হিন্দু মুসলমান কৃষক আকৃষ্ট হয়েছিলেন এবং ঐক্যবদ্ধ জমিদার বিরোধী তথা সরকার বিরোধী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তাই এই আন্দোলনকে নিছক ধর্মীয় আন্দোলন না বলে একে জমিদার মহাজন ও ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন বলাই শ্রেয়। -----------xx-------- ফরাজি আন্দোলন সম্পর্কে আরো কিছু প্রশ্ন উত্তর : ফরাজি আন্দোলনের ব্যর্থতার কারণ কী ? ফরাজি আন্দোলন কি ধর্মীয় পুনর্জাগরণের আন্দোলন ? দুদুমিঞা স্মরণীয় কেন ?

চুয়ার বিদ্রোহের গুরুত্ব

 চুয়ার বিদ্রোহের গুরুত্ব কী ছিল? চুয়ার বিদ্রোহের গুরুত্ব Significance of Chuar Rebellion ১৭৯৮-৯৯ খ্রিস্টাব্দে চুয়াড় বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। এই বিদ্রোহের ( চুয়াড় বিদ্রোহের গুরুত্ব ) হল - চুয়াড় বিদ্রোহে জমিদার ও নিরক্ষর ছোঁয়ার কৃষকরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে শামিল হয়. এই বিদ্রোহের পর সরকার বিষ্ণুপুর শহরকে কেন্দ্র করে জঙ্গলমহল জেলা গঠন করে। এই বিদ্রোহের পর সরকার এই অঞ্চলে নিলামের মাধ্যমে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার নীতি ত্যাগ করে। --------------------xx---------------- চুয়াড় বিদ্রোহ সম্পর্কে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর ঃ চুয়াড় বিদ্রোহের কারণ ও গুরুত্ব আলোচনা করো । ( প্রশ্নের মান - ৮ ) চুয়াড় বিদ্রোহের গুরুত্ব কী ছিল ? ( প্রশ্নের মান - ৪ ) চুয়ার বিদ্রোহের গুরুত্ব উল্লেখ করো। ( প্রশ্নের মান - ২ )

নববিধান কী?

 নববিধান কী? নববিধান কী? কেশবচন্দ্র সেনের হিন্দু মতে নিজ কন্যার বিবাহ, রামকৃষ্ণ প্রীতি, খ্রিস্টপ্রীতি, চৈতন্য প্রীতি ইত্যাদি বিষয়ে মতানৈক্যের কারণে শিবনাথ শাস্ত্রী, আনন্দমোহন বসু, দ্বারকানাথ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ তরুণ ব্রাহ্মরা ১৮৭৮ সালে ভারতবর্ষীয় ব্রাহ্মসমাজ থেকে বেরিয়ে এসে সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেন। এই পরিস্থিতিতে কেশবচন্দ্র সেন তার উদারপন্থী অনুগামীদের নিয়ে সর্বধর্ম সমন্বয়ের আদর্শে নববিধান ঘোষণা করেন। এই ঘোষিত আদর্শ নববিধান নামে পরিচিত। আর কেশবচন্দ্র সেন-এর নেতৃত্বে নববিধানকে আদর্শ করে গড়ে ওঠা সংগঠনটি নববিধান  সমাজ নামে পরিচিত। --------------xx------------- এই প্রশ্নটি অন্য যেভাবে আসতে পারে : কে কবে নববিধান সমাজ গড়ে তোলেন? এর উদ্দেশ্য কি ছিল? কেশবচন্দ্র সেন কেন নববিধান সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন? নববিধান বলতে কী বোঝো?  এই বিষয়ে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর ঃ কে, কবে, কেন 'নববিধান সমাজ' প্রতিষ্ঠা করেন ? 'ভারতবর্ষীয় ব্রাহ্মসমাজ' কেন বিভক্ত হয় ? 'ব্রাহ্মসমাজ আন্দোলনে'র ফল কী হয়েছিল ? ব্রাহ্মসমাজ আন্দোলনে'র (সমাজ সংস্কার আন্দোলনের) ফলাফল ...

পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারে খ্রিস্টান মিশনারিদের প্রধান উদ্দেশ্য

 এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারে খ্রিস্টান মিশনারিদের প্রধান উদ্দেশ্য কি ছিল? পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারে খ্রিস্টান মিশনারিদের প্রধান উদ্দেশ্য পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারে মিশনারিদের উদ্দেশ্য  ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারে খ্রিস্টান মিশনারীদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল : খ্রিস্ট ধর্মের প্রচার ও প্রসার ঘটানো?  পাশ্চাত্য শিক্ষার বিস্তার ও নারী শিক্ষার প্রসার ঘটানো।  বিভিন্ন প্রকার সামাজিক ও কুসংস্কার ও গোঁড়ামি দূর করা। ------------xx------------- এ বিষয়ে বিকল্প প্রশ্ন সমূহ : ১) খ্রিস্টান মিশনারীরা ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার বিস্তার চেয়েছিলেন কেন? ২) ভারতের পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে খ্রিস্টান মিশনারিদের আগ্রহের কারণ কি ছিল? ৩) খ্রিস্টান মিশনারিরা কোন উদ্দেশ্যে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসার ঘটিয়েছিলেন? পাশ্চাত্য শিক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন : উডের ডেসপ্যাচ কী ? উডের নির্দেশনামার গুরুত্ব কী ? হার্ডিঞ্জের ঘোষণার গুরুত্ব কী ? ' চুইয়ে পড়া নীতি' বলতে কী বোঝ ? কাকে কেন পাশ্চাত্য শিক্ষার ম্যাগনাকার্টা বলা হয় ? ডেভিড হেয়ার স্মরণীয় কেন ? রাধাকান্ত দেব স্মরণীয় কেন ? পাশ্চা...

আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা বলতে কী বোঝো?

 আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা বলতে কী বোঝো? আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা বলতে কী বোঝো? আত্মজীবনী : যে রচনায় লেখক তাঁর নিজের জীবনের ও সময়ের বিভিন্ন ঘটনাবলীর বিবরণ লিপিবদ্ধ করেন এবং তা গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন, তাকে ‘ আত্মজীবনী’ বলে।  যেমন,  সরলা দেবী চৌধুরানীর -  ‘ জীবনের ঝরা পাতা’ । স্মৃতিকথা : অতীতের কোন বিশেষ ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত কোন ব্যক্তি যদি পরবর্তীকালে তাঁর স্মৃতি থেকে প্রাপ্ত সেই ঘটনার অকপট বিবরণ লিপিবদ্ধ করেন অথবা মৌখিকভাবে প্রকাশ করেন, তাহলে তাকে ‘ স্মৃতিকথা ’ বলে।  যেমন,  দক্ষিণারঞ্জন বসুর -  ‘ ছেড়ে আসা গ্রাম ’। ---------xx------- এ বিষয়ে বিকল্প প্রশ্ন সমূহ : আত্মজীবনী বলতে কী বোঝো?  উদাহরণ দাও। স্মৃতি কথা বলতে কী বোঝো?  উদাহরণ দাও। এ বিষয়ে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর : ইতিহাসের উপাদান হিসেবে আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা কেন গুরুত্বপূর্ণ? বিপিনচন্দ্র পালের আত্মজীবনী “সত্তর বছর” বছর কিভাবে আধুনিক ভারতের ইতিহাসের উপাদান হয়ে উঠেছে তা বিশ্লেষন কর। 

ইতিহাস চর্চার উপাদান রূপে সরকারি নথিপত্রের সীমাবদ্ধতা

 আধুনিক ভারতের ইতিহাস চর্চার উপাদান রূপে সরকারি নথিপত্রের সীমাবদ্ধতা কী? ইতিহাস চর্চার উপাদান রূপে সরকারি নথিপত্রের সীমাবদ্ধতা সরকারি নথিপত্র বলতে বোঝায় সরকারের বিভিন্ন আদেশ উদ্যোগ পদক্ষেপ প্রতিবেদন প্রভৃতির নথিপত্র আধুনিক ইতিহাস চর্চার উপাদান রূপে সরকারি নথিপত্রের সীমাবদ্ধতা গুলি হল - সরকারি নথিপত্রগুলো সরকারের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লেখা হয়, জনগণের দৃষ্টিভঙ্গি উপেক্ষিত থাকে।  সরকারি নথিপত্র গুলিতে অনেক ক্ষেত্রে ভুল ও বিকৃত তথ্য থাকে। তাই এগুলো সমকালীন ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। সরকারি নথিপত্রগুলো ঐতিহাসিক উপাদান হিসেবে রচিত হয় না। তাই ঐতিহাসিকদের তথ্য সংগ্রহের সময় সতর্ক থাকতে হয়। ----------------xx--------------- এ বিষয়ে বিকল্প প্রশ্ন সমূহ : সরকারি নথিপত্র বলতে কী বোঝো?  এর সীমাবদ্ধতা গুলি উল্লেখ করো। সরকারি নথিপত্র ইতিহাসের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হয় কেন?  ইতিহাসের উপাদান হিসাবে সরকারি নথিপত্রের দুর্বলতা কোথায়? সরকারি নথিপত্র বিষয়ে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর : সরকারি নথিপত্র বলতে কী বোঝো ? আধুনিক ভারতের...

ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ইতিহাসে ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ গুরুত্বপূর্ণ কেন

ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ইতিহাসে ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ গুরুত্বপূর্ণ কেন? ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ইতিহাসে ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে গুরুত্বপূর্ণ কেন? Why is 1911 important in the history of Indian nationalism? ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ইতিহাসে ১৯১১ সাল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণা করা হয়। ইংল্যান্ডের রাজা জর্জ ১২ই ডিসেম্বর ১৯১১ সালে ঘোষণা করেন রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তর করা হবে। এজন্য রাজকীয় দরবার দিল্লীতে অনুষ্ঠিত হয়। মোহনবাগান হল প্রথম ভারতীয় দল হিসাবে বিদেশী দলের বিরুদ্ধে ১৯১১ সালে ফুটবলে জয় ছিনিয়ে আনে।  ---------------xx--------------- এ বিষয়ে বিকল্প প্রশ্ন : ভারতের ইতিহাসে ১৯১১ সাল বিখ্যাত কেন? ভারতের জাতীয়তাবাদী ইতিহাসে ১৯১১ সাল কীজন্য বিখ্যাত? খেলাধুলা বিষয়ে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন : ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ইতিহাসে ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ গুরুত্বপূর্ণ কেন? খেলার ইতিহাসের উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব কী ?

সরকারি নথিপত্র বলতে কী বোঝায়?

'সরকারি নথিপত্র' বলতে কী বোঝায়? সরকারি নথিপত্র বলতে কী বোঝো What is meant by Government Documents? সরকারি নথিপত্র বলতে বোঝায় সরকারের বিভিন্ন আদেশ, উদ্যোগ, পদক্ষেপ, প্রতিবেদন প্রকৃতির নথিপত্র। যেমন, পুলিশ বিভাগের রিপোর্ট ও সরকারী চিঠিপত্র, গোয়েন্দা বিভাগের রিপোর্ট, বিভিন্ন তথ্য, সরকারি আধিকারিকদের প্রতিবেদন ও চিঠিপত্র, এসবকেই সরকারি নথিপত্র বলে অভিহিত করা হয়। আধুনিক ভারতের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে এইসব সরকারি নথিপত্রের গুরুত্ব অপরিসীম। -----------------xx------------- এ বিষয়ে বিকল্প প্রশ্ন : সরকারি নথিপত্র কী ? সরকারি নথিপত্রের উদাহরণ দাও। এ বিষয়ে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রশ্ন : আধুনিক ভারতের ইতিহাসের উপাদান হিসেবে সরকারি নথিপত্রের গুরুত্ব আলোচনা করো । (প্রশ্নের মান -  ৪) সরকারি নথিপত্র বলতে কী বোঝো ? (তুমি এখন এই প্রশ্নের উত্তর  পড়ছো) ইতিহাসের উপাদান হিসেবে সরকারি নথিপত্রের সীমাবদ্ধতাকতটা?

বহুল পঠিত প্রশ্ন-উত্তর এখানে